রোববার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দেশটির কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ক্রোটোন প্রদেশের সমুদ্রতীরবর্তী স্টেকাতো ডি কুট্রো রিসোর্টের তীরে প্রায় ২৭টি মরদেহ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া আরো মরদেহ পানিতে দেখা গেছে। বর্তমান মৃত্যুর সংখ্যা ৩৩ জন হলেও তা ‘অবশ্যই’ বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
.png)
এদিকে জাতীয় দমকল বিভাগ টেলিগ্রামে লিখেছে, ‘অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে এবং প্রায় ৪০ জন বেঁচে গেছে।’
আরো পড়ুন>> ক্লাসে ভিডিওগেম খেলায় বাঁধা, শিক্ষিকাকে মেরে অজ্ঞান করল ছাত্র!
বার্তা সংস্থা অ্যাডনক্রোনোস জানিয়েছে, জাহাজটিতে ১০০ জনেরও বেশি লোক ছিল। ইরান, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের নিয়ে আসা জাহাজটি রুক্ষ সামুদ্রিক আবহাওয়ায় পাথরের সঙ্গে ধাক্কা লেগে বিধ্বস্ত হয়েছিল।
অন্যদিকে ইতালীয় বার্তা সংস্থা এজিআই জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে একটি নবজাতক এবং বেশ কয়েকটি শিশু রয়েছে।
অগ্নিনির্বাপক এবং পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে ইতালীয় উপকূলরক্ষীরা ঘটনাস্থলে রয়েছে। তাৎক্ষণিক মন্তব্যের জন্য তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
আরো পড়ুন>> ক্যালিফোর্নিয়ায় ঝড়ের তাণ্ডবে বিদ্যুৎহীন হাজার হাজার মানুষ
প্রসঙ্গত, সমুদ্রপথে ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টাকারী অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জন্য ইতালি অন্যতম প্রধান ল্যান্ডিং পয়েন্ট। তথাকথিত কেন্দ্রীয় ভূমধ্যসাগরীয় রুটটি অভিবাসনপ্রত্যাসীদের জন্য বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক রুট হিসেবেও পরিচিত।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার নিখোঁজ অভিবাসী প্রকল্প অনুসারে, ২০১৪ সাল থেকে মধ্য ভূমধ্যসাগরে ২০ হাজার ৩৩৩ জন মারা গেছে বা নিখোঁজ হয়েছে।