তুরস্কের হাতাই প্রদেশের বিমানবন্দরে বিপর্যয়ের এই ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, ভূমিকম্পের চাপে আড়াআড়ি ভাবে ওই বিমানবন্দরের রানওয়েতে ফাটল ধরেছে। দু’পাশ থেকে থেকে উঁচু হয়ে ফাটল বরাবর উঠে এসেছে সেই রাস্তা।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওই বিমানবন্দরটি বর্তমানে ব্যবহারের অযোগ্য।
.png)
ভূমিকম্পের কবলে বিধ্বস্ত ওই বিমানবন্দরের একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে পোস্ট করা হয়েছে।
আরো পড়ুন>> তুরস্কে ভূমিকম্পের ২২ ঘণ্টা পর আরো এক নারী জীবিত উদ্ধার
সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় ভোর ৪টার দিকে কেঁপে ওঠে তুরস্ক এবং সিরিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা। রিখটার স্কেলে সেই কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.৮।
কম্পনের উৎসস্থল ছিল দক্ষিণ তুরস্কে। গাজিয়ানতেপ প্রদেশের পূর্ব দিকে নুরদাগি শহর থেকে ২৬ কিলোমিটার পূর্বে ভূগর্ভের প্রায় ১৮ কিলোমিটার গভীরে।
প্রথম কম্পনের ১১ থেকে ১৫ মিনিটের ব্যবধানে দ্বিতীয় বার কেঁপে ওঠে লেবানন, সিরিয়া এবং সাইপ্রাসের বিভিন্ন অংশ।
আরো পড়ুন>> ধ্বংসস্তূপ থেকে শিশু সন্তানের দেহ উদ্ধারের পর কান্নায় লুটিয়ে পড়লেন বাবা
ইউনাইটেড স্টেটস জিয়োলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস)- এর মতে, এই কম্পনের তীব্রতা ছিল ৬.৭। প্রায় দেড় মিনিট পর্যন্ত তার কম্পন অনুভূত হয়। কম্পনের জেরে হুড়মুড়িয়ে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়তে থাকে একের পর এক বহুতল এবং বাড়ি।
সেই ধাক্কা সামলাতে না সামলাতেই আরো দু’বার কেঁপে ওঠে সিরিয়া এবং তুরস্কের বিস্তীর্ণ এলাকা। ফলে বিপদ আরো বেড়ে যায়। তার পর থেকে ক্রমাগত বেড়েই চলেছে মৃতের সংখ্যা। সেই সংখ্যা বর্তমানে ৪ হাজার ৩০০ ছাড়িয়েছে।
এর মধ্যে শুধু তুরস্কেই মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ৯২১ জনের। সিরিয়ায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪৫১ জন। দু’দেশের আহতের সংখ্যাও কয়েক হাজার। লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও।
আরো পড়ুন>> ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো তুরস্ক
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান জানিয়েছেন, বিগত কয়েক দশকের মধ্যে সোমবারের ভূমিকম্পই ছিল তুরস্কের সবচেয়ে ভয়াবহ বিপর্যয়।
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এই সঙ্কট মোকাবিলায় সকল দেশকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। বিভিন্ন দেশ থেকে ইতিমধ্যেই বিপর্যয় মোকাবিলা দল এবং ত্রাণ পাঠানো শুরু হয়েছে।
ভিডিওটি দেখুন...
#Hatay airport runway is out of service due to the strong earthquake. pic.twitter.com/7RvDjBWe3l
— Barzan Sadiq (@BarzanSadiq) February 6, 2023
সূত্র: ডেইলি সাবাহ, আনন্দবাজার