মিলাকে খুঁজছে পুলিশ
সংগীতশিল্পী মিলার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। পরোয়ানা এরই মধ্যে পৌঁছে গেছে রাজধানীর পল্লবী থানায়। গ্রেফতারের আদেশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এই সংগীতশিল্পীকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজা হচ্ছে।
ওসি কাজী ওয়াজেদ আলী জানান, এই সংগীতশিল্পীকে ধরতে পুলিশের দুটি ইউনিট কাজ করছে। মিলার দাবি, তাকে ফাঁসানো হয়েছে।
প্রায় দুই বছর আগে সংগীতশিল্পী মিলার বিরুদ্ধে অ্যাসিড হামলার অভিযোগে মামলা করেছেন তার সাবেক স্বামী এস এম পারভেজ সানজারির বাবা এস এম নাসির উদ্দিন। সেই মামলায় আদালত তাকে গ্রেপ্তারের আদেশ দিয়েছেন।
পল্লবী থানার ওয়াজেদ আলী জানান, দুই বছর আগে উত্তরার পশ্চিম থানায় এই গায়িকার বিরুদ্ধে মামলা হয়। সেই চলমান মামলায় তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি হয়েছে। গত ১০ ফেব্রুয়ারি এই মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানা আদালত পল্লবী থানায় পাঠিয়েছেন।
তিনি বলেন, গতকাল থেকেই আমরা তাকে অ্যারেস্ট করার জন্য চেষ্টা করছি। তার বাসাসহ ঢাকার অনেকগুলো লোকেশনে তার খোঁজ করেছি। কোথাও তাকে খুঁজে পাইনি। আমাদের দুটি ইউনিট সার্বক্ষণিক তাঁকে ধরার চেষ্টা চালাচ্ছে। যেখানেই থাকুক, আমরা যত তাড়াতাড়ি পারি তাকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করব।
সংগীতশিল্পী মিলা বলেন, এই ঘটনায় কাজের ছেলেটা নিজের দোষ স্বীকার করেছে। সে বলেছে, এখানে মিলা জড়িত না, এমনকি অ্যাসিডও এই গায়িকা ছোড়েননি। এই মামলায় বারবার তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা হয়েছে। এবার তাঁকে সম্পূর্ণভাবে ফাঁসিয়ে দেয়া হলো।
সংগীতশিল্পী মিলার সাবেক স্বামী পারভেজ সানজারি ২০১৯ সালের ২ জুন দুর্বৃত্তদের ছোড়া অ্যাসিডে দগ্ধ হন। সে সময় জানা যায়, রাত আটটার দিকে উত্তরার ৩ নম্বর সেক্টরে পারভেজের গায়ে কে বা কারা অ্যাসিড ছুড়ে মারে। পরে উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি মামলা করেন পারভেজ সানজারির বাবা এস এম নাসির উদ্দিন। সেই মামলায় মিলাকে সিইডি জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল। এর আগে ২০১৯ সালের ৩ সেপ্টেম্বর মিলার বিরুদ্ধে বিয়ের তথ্য গোপনের অভিযোগে মামলা করেন পারভেজ সানজারি।
এ ছাড়া যৌতুক ও নির্যাতনের অভিযোগে ২০১৭ সালের ৫ অক্টোবর সংগীতশিল্পী মিলা তাঁর সাবেক স্বামী পারভেজ সানজারির বিরুদ্ধে মামলা করেন। সেই মামলায় গ্রেফতার হন সানজারি। পরে তিনি জামিনে ছাড়া পান। গত বছরের ১১ জুলাই মিলা সানজারির বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন।