ব্রিটনির ওপর ‘নিয়ন্ত্রণ’ মানতে পারছেন না প্যারিস হিলটন
খ্যাতিমান তারকা ব্রিটনি স্পিয়ার্স। তার রয়েছে লাখ লাখ ভক্তকূল। নিজের রূপ ও প্রতিভার ঝলকে বুদ সমালোচনাকারীরাও। তবুও ব্রিটনি স্পিয়ার্সকে ‘নিয়ন্ত্রণ’ করা হয়, যা মানতে পারছেন না আরেক তারকা প্যারিস হিলটন।
সম্প্রতি অর্থ-সম্পত্তির ওপর বাবার খবরদারি থেকে মুক্তি পেতে ব্রিটনি আদালতের দ্বারস্থ হন। এ নিয়ে বান্ধবী ব্রিটনির পক্ষে এক সাক্ষাৎকারে কথা বলেন প্যারিস হিলটন।
দ্য সানডে টাইমস-এ দেয়া সাক্ষাৎকারে হিলটন বলেন, প্রাপ্তবয়স্ক মানুষকে শিশুর মতো করে নিয়ন্ত্রণ করা উচিত নয়।আমার জীবনে এ রকম কিছু ভাবতে পারি না।
.png)
২০০৭ সালে স্বামী কেভিন ফেডারলাইনের সঙ্গে বিয়ে বিচ্ছেদ হয় ব্রিটনির। এরপর থেকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হন তিনি। ওই সময় থেকে তার ব্যক্তিগত জীবন ও অর্থ-সম্পত্তি দেখা-শোনার জন্য বাবা জেমি স্পিয়ার্সকে আইনি তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে নিযুক্ত করেন ব্রিটনি। প্রায় ১২ বছর ধরে ব্রিটনি ও তার সম্পত্তির নিয়ন্ত্রণে নিযুক্ত ছিলেন বাবা জেমি।
চলতি বছরের ২২ আগস্ট বাবার দায়িত্ব শেষ হয়েছে। তাই কোনোভাবে বাবার দায়িত্বের মেয়াদ বাড়াতে চান না ব্রিটনি। আর প্রিয় তারকার এমন সিদ্ধান্তকে স্বাগত ও সমর্থন যুগাচ্ছেন ভক্তরা। ভক্তরা ব্রিটনির ব্যক্তিগত জীবন ও অর্থসম্পদে নিজের অধিকার ফিরিয়ে দিতে ’হ্যাশট্যাগ ফ্রি ব্রিটনি’ আন্দোলন শুরু করেন। এমনকি ব্রিটনির পক্ষে লাখো মানুষ স্বাক্ষর করে। তাদের একটাই দাবি, প্রিয় তারকাকে যেকোনো মূল্যে চাপ মুক্ত রাখা।
লসঅ্যাঞ্জেলেসের ক্যালিফোর্নিয়া আদালতে ব্রিটনি আপিল করেন। সেই আপিলের নথিতে তার ব্যক্তিগত জীবনের নিয়ন্ত্রক হিসেবে বাবার ফেরার বিরোধীতা করে স্টেটমেন্ট দেন ব্রিটনি। তিনি উল্লেখ করেন, তাকে মানসিক রোগী সাজিয়ে অর্থসম্পদ কুক্ষিগত করার ষড়যন্ত্র করছেন বাবা জেমি।
২০০৮ সালে ব্রিটনির তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত হন বাবা জেমি। কিন্তু গত বছর নিজের শারীরিক অসুস্থতার জন্য দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেন। পরে ব্রিটনির সবকিছু দেখভালের দায়িত্ব পান ম্যানেজার জোডি। কিছু দিন পর সুস্থ হয়ে ব্রিটনির ওপর আবারো খবরদারি শুরু করেন বাবা জেমি। এতে খ্যাতিমান এ তারকার ভক্তরা ক্ষোভে ফুসে উঠেছেন।