ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

স্পিকারের এপিএস সবুজের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, বিভিন্ন মহলের নিন্দা

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৮:৫৮, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্পিকারের এপিএস সবুজের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, বিভিন্ন মহলের নিন্দা
স্পিকারের এপিএস আকবর হোসেন সবুজ। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদের (বীরবিক্রম) এপিএস আকবর হোসেন সবুজকে ঘিরে দুটি অনলাইন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য উপস্থাপনের অভিযোগ উঠেছে।

এ ধরনের প্রতিবেদনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ভোলার লালমোহন উপজেলার সচেতন মহল, সুশীল সমাজ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

এ ঘটনায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আমিনুল ইসলাম ফিরোজ বলেন, আকবর হোসেন সবুজের মানহানি ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে তথ্য-প্রমাণ ছাড়া কিছু মনগড়া ঘটনার সঙ্গে তাকে সম্পৃক্ত করে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।প্রতিবেদনে বিভিন্ন অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হলেও, সেসব অভিযোগের পক্ষে নির্ভরযোগ্য তথ্য, নথি বা প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।

Advertisement

এদিকে লালমোহন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক কুন্তলা সিকাদার জানান, আকবর হোসেন সবুজ দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সঙ্গে সু-সম্পর্ক বজায় রেখে কাজ করছেন। তাকে নিয়ে কোনো অভিযোগ থাকলে তা যাচাই-বাছাই করে সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ করা উচিত। একজন ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়, এমন কোনো তথ্য যাচাই ছাড়া প্রকাশ করা উচিত নয়।

এছাড়া বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। বিশেষ করে স্পিকারের নির্বাচনি এলাকা ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) এলাকার সাধারণ মানুষ, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক মহলসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেছেন। 

স্থানীয় সচেতন মহল সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতি তথ্য যাচাই করে বস্তুনিষ্ঠ ও সত্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য নেওয়া এবং অভিযোগের পক্ষে প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপনের মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে এপিএস আকবর হোসেন সবুজ বলেন, মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে স্পিকার মহোদয় জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন। চাঁদাবাজির বিরুদ্ধেও তার কঠোর অবস্থান রয়েছে। এসব বিষয়ে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে গিয়ে একটি চক্র বিভিন্ন অভিযোগ তুলে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে আমি মনে করি। এছাড়া সংসদ সচিবালয়ে কিছু পেপার কার্ড তারা দিয়েছে। তবে সেখানে উল্লেখ করা বিষয়গুলো মূলত অন্তর্বতীকালীন সরকারের আমলের ঘটনা। সেগুলোকে বর্তমান সময়ের সঙ্গে মিলিয়ে উপস্থাপন করা বিভ্রান্তিকর।

সবুজ আরও বলেন, এমনকি সংশ্লিষ্ট কয়েকটি গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে আমার কাছে এবং আমার কয়েকজন আত্মীয়-স্বজনের কাছেও নগদ টাকা দাবি করা হয়েছিল, এমন অভিযোগও রয়েছে। এ কারণে বিষয়গুলোকে আমি তেমন গুরুত্ব দিইনি। সৎভাবে দায়িত্ব পালন করতে গেলে কখনো কখনো এ ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। তাই এসব অপপ্রচার নিয়ে আমার তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া নেই। আমি আমার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবো ইনশাআল্লাহ।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ভোলা/এমকে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!