ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ স্পটলাইট ]

সুন্দরবনে পর্যটকের জোয়ার হলেও অবকাঠামোয় ভাটা

শরীফা খাতুন শিউলী (খুলনা)
প্রকাশিত: ১৯:৫৫, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সুন্দরবনে পর্যটকের জোয়ার হলেও অবকাঠামোয় ভাটা
সুন্দরবন

বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন ঘিরে বাংলাদেশে পর্যটনশিল্পের বিকাশে রয়েছে অপার সম্ভাবনা। এই বনের সৌন্দর্য দেখতে দেশ-বিদেশের নানা প্রান্ত থেকে ছুটে আসেন ভ্রমণপিপাসুরা। তবে বন ঘিরে মানুষের যত আগ্রহ, কিছু অসুবিধা ও সীমাবদ্ধতার কারণে সেটা মেটাতে পারছেন না পর্যটকরা। দুই দশকে সুন্দরবনে পর্যটকের আগমণ ৪ গুণ বাড়লেও পরিকাঠামো সেই তিমিরেই রয়ে গেছে। 

প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, অ্যাডভেঞ্চার, ভয় ও শিহরণের স্থান সুন্দরবন। রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রল হরিণ, সাপ, বানর, মাছসহ নানা প্রজাতির বন্যপ্রাণীর পৃথিবী বিখ্যাত এই বন। পর্যটকদের কাছে সুন্দরবনের আকর্ষণ তাই দুর্ণিবার। বাংলাদেশের মানচিত্রের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে অতন্দ্র প্রহরীর মতো দাঁড়িয়ে থাকা এই বন আমাদের প্রাকৃতিক রক্ষাকবচ। এটি দেশের পর্যটন মানচিত্রের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র।

Advertisement

বাংলাদেশের জাতীয় পর্যটনেও সুন্দরবনের অবদান অসীম। সুন্দরবনের ৬,০১৭ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে (বাংলাদেশ অংশ) ছড়িয়ে আছে অসংখ্য দর্শনীয় স্থান। বাংলাদেশের বন্যপ্রাণীর বৃহত্তম আবাসস্থল সুন্দরবনজুড়েই পর্যটকদের জন্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখার অপার সুযোগ রয়েছে। তবে সুন্দরবনে ঘুরে দেখার মতো স্পটগুলো হলো শরণখোলার টাইগার পয়েন্ট হিসেবে পরিচিত কটকা, কচিখালীর অভয়ারণ্যকেন্দ্র, করমজল বন্যপ্রাণী ও কুমির প্রজননকেন্দ্র, কলাগাছিয়ায় ইকোট্যুরিজম সেন্টার, হিরণপয়েন্ট খ্যাত নীলকমল অভয়ারণ্য, দুবলারচর, মানিকখালী, আন্দারমানিক ও দোবেকী এলাকায় পর্যাটকদের আনাগোনা বেশি থাকে। 

সুন্দরবনে নিয়মিত যাতায়াত করা পর্যটন এম রহমান বলেন, দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আরও বেশি আকৃষ্ট করতে সুন্দরবনের ওপর দিয়ে ক্যাবল কার চালু করা যেতে পারে। এতে টপ ভিউ থেকে বনের সৌন্দর্য ও বাঘ, হরিণ, বানরের মতো প্রাণী দেখার সুযোগ পাবেন পর্যটকরা। একইসঙ্গে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায় হবে সরকারের।

খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরার দক্ষিণাঞ্চলজুড়ে বিস্তৃত সুন্দরবনের অধিকাংশ পর্যটকবাহী বড় জাহাজ খুলনা থেকে চলাচল করে। ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব সুন্দরবন (টোয়াস) সূত্রে জানা গেছে, খুলনায় তিন দিনের ভ্রমণের জন্য নিবন্ধিত জাহাজ রয়েছে ৬৩টি। এসব জাহাজে একসঙ্গে প্রায় ২হাজার ৭৫৪ জন পর্যটক ভ্রমণ করতে পারেন। এ ছাড়া দাকোপ, কয়রা, মোংলার পাশাপাশি সাতক্ষীরার মুন্সিগঞ্জে রয়েছে প্রায় ৪০০ ইঞ্জিনচালিত বোট ও ট্রলার।

পর্যটক ও ট্যুর অপারেটরা বলেন, দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বয়স ও শ্রেণি-পেশার মানুষ সুন্দরবনে ঘুরতে আসেন। তবে দীর্ঘদিনেও পর্যটকদের জন্য বাড়েনি সুযোগ-সুবিধা। পর্যটকদের জন্য প্রাথমিক ও জরুরি চিকিৎসা, রাতে অবস্থান, বিশুদ্ধ পানি ও পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এখনও নিশ্চিত হয়নি। বনের মধ্যে থাকা ওয়াচ টাওয়ার, জেটিগুলোও নাজুক অবস্থায় রয়েছে। রয়েছে বনদস্যুর ভয়।

বন বিভাগের সূত্রমতে, সুন্দরবন থেকে প্রতিবছর পর্যটন খাতে বন বিভাগের আয় প্রায় চার কোটি টাকা। তবে বিপুল রাজস্বের বিপরীতে পর্যটকদের জন্য কাঙ্ক্ষিত অবকাঠামো গড়ে ওঠেনি। খুলনা থেকে বড় জাহাজে ওঠানামার জন্য নেই পরিকল্পিত ঘাট। অনেক ক্ষেত্রে জেলখানা বা রূপসা ঘাট থেকে ট্রলারে উঠে পরে জাহাজে যেতে হয়। এতে ঝুঁকির পাশাপাশি ভোগান্তিও বাড়ে। সুন্দরবনের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রের সিঁড়িগুলোও অনেক ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ। শীত মৌসুমে পর্যটকবাহী জাহাজের ভিড়ে বনসংলগ্ন নদীতে তৈরি হয় জট।

ট্যুর অপারেটর এসোসিয়েশন অব সুন্দরবন (টোয়াস) এর সভাপতি মোঃ মঈনুল ইসলাম জোমাদ্দার বলেন, সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটনের জন্য পর্যটনকেন্দ্রগুলোর সিঁড়ি ও ঘাটগুলো পরিকল্পিতভাবে নির্মাণ করা প্রয়োজন। একদিকে ওঠা এবং অন্যদিকে নামার ব্যবস্থা করা গেলে পর্যটকদের ভোগান্তি কমবে বলেও মনে করেন এই নেতা।
এছাড়া সুন্দরবনে এখনও গড়ে ওঠেনি পেশাদার গাইড ব্যবস্থাও। পর্যটন ব্যবসায়ীরাই প্রয়োজন অনুযায়ী গাইড নিয়োগ করেন। অন্যদিকে প্রতিটি জাহাজে বন বিভাগের দুই বনরক্ষী দায়িত্ব পালন করেন। নিরাপত্তার পাশাপাশি অনেক সময় তারাই পর্যটকদের গাইডের কাজও করেন।

পর্যটকবাহী জাহাজগুলোর সাথে সম্পৃক্ত একাধিক সূত্র বলছে, করমজল, হারবাড়িয়া, আন্ধারমানিক, আলিবান্দা, শেখেরটেক, কালাবগী, কলাগাছিয়া ও দোবেকী- এসব পর্যটনকেন্দ্রে একদিনে ঘুরে ফেরা যায়। মোংলা, দাকোপ, কয়রা ও শ্যামনগর থেকে ইঞ্জিনচালিত নৌযানে এসব এলাকায় যাওয়া সম্ভব।

অন্যদিকে কটকা, কচিখালী, নীলকমল, দুবলা ও মান্দারবাড়িয়ার মতো দূরের পর্যটনকেন্দ্রে যেতে সাধারণত রাত্রিযাপন করতে হয়। এসব ক্ষেত্রে তিন দিন দুই রাতের প্যাকেজ জনপ্রিয়। বড় জাহাজে সর্বোচ্চ প্রায় ৭৫ জন পর্যটক ভ্রমণ করতে পারেন। 

সুন্দরবন একাডেমির পরিচালক ফারুক আহমেদ বলেন, সুন্দরবন হলো একটি দুর্গম বন। এখানে যাতায়াতও দুর্গম হওয়া ভালো। তাহলে লোকের আগমণ কম হবে। বন ও প্রাণী রক্ষা পাবে। তবে পর্যটনের বিকাশে সুন্দরবনে সীমিত নিয়ন্ত্রিত পর্যটক যাওয়া উচিত। যারা বনের নিয়ম মেনে সুন্দরবন ঘুরবে। সুন্দরবনে চিকিৎসা ব্যবস্থা চালু করা উচিত। কেননা কেউ অসুস্থ হলে পর্যটককে মোংলায় আনতে হয়। সুন্দবনে পর্যটক থেকে যে পরিমাণ রাজস্ব আয় হয় তার থেকে বেশি বনের ক্ষতি হয়। তারপরও পর্যটন শিল্প বিকাশের জন্য নিয়ন্ত্রিত পর্যটক প্রবেশ করা যেতে হবে। কারণ পর্যটকরা দেশকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরেন।  

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশের পর্যটন খাতের অন্যতম আকর্ষণ সুন্দরবনে ২০০১-০২ অর্থবছরে পর্যটকের সংখ্যা ছিল মাত্র ৫৯ হাজারের মতো। দুই দশক পরে ২০২২-২৩ অর্থবছরে এই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৬ হাজারে—যা প্রায় চারগুণ বৃদ্ধি। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সুন্দরবনে মোট ২ লাখ ১১ হাজার ৫৭ জন পর্যটক ভ্রমণ করেছেন। আর ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ভ্রমণ করেন ৩ লাখ ২৮ হাজার জন পর্যটক। 

২০২১-২২ অর্থবছরে বন বিভাগের মোট আয় ছিল প্রায় ৫ কোটি ৪৪ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। ২০২২-২৩ অর্থবছরে আয় বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ৬ কোটি ৭৬ লাখ ৬২ হাজার টাকায়। এছাড়া ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আয় বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ৭ কোটি ৬৬ লাখ ৭২ হাজার টাকাতে দাঁড়ায়। তবে সর্বোচ্চ আয় অর্জিত হয় ২০২৪-২৫ অর্থবছরে। কিন্তু ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আয় কমে প্রায় ৬ কোটি ৭৫ লাখ ৮১ হাজার টাকায় দাঁড়ায়।

সুন্দরবন হলো বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত একটি প্রশস্ত বনভূমি যা বিশ্বের প্রাকৃতিক বিস্ময়াবলির অন্যতম। পদ্মা, মেঘনা ও ব্রহ্মপুত্র নদীত্রয়ের অববাহিকার বদ্বীপ এলাকায় অবস্থিত এই অপরূপ বনভূমি বাংলাদেশের খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলার কিছু অংশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দুই জেলা উত্তর চব্বিশ পরগনা ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জুড়ে বিস্তৃত।

প্রায় ৬ হাজার ১৭ বর্গকিলোমিটার আয়তনের বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট এই সুন্দরবন ২৪ ঘণ্টায় কমপক্ষে ৬ বার তার রূপ বদলায়। খুব ভোরে এক রূপ, দুপুরে অন্যরূপ, পড়ন্ত বিকালে আরেক রূপ, সন্ধ্যায় সাজ নেয় ভিন্নরূপে। ২০২৪ সালের সর্বশেষ বাঘ জরিপে সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা ১২৫টি পাওয়া গেছে, যা ২০১৮ সালের তুলনায় ৯ দশমিক ৬৫ শতাংশ এবং ২০১৫ সালের তুলনায় ১৭ দশমিক ৯২ শতাংশ বেড়েছে। এই জরিপে প্রতি ১শ বর্গ কিলোমিটারে বাঘের ঘনত্ব ২ দশমিক ৬৪ পাওয়া গেছে।

জরিপটি ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের মার্চ পর্যন্ত পরিচালিত হয়, যেখানে ৬০৫টি গ্রিডে এক হাজার ২১০টি ক্যামেরা বসিয়ে ৩১৮ দিন ধরে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এই ক্যামেরাগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাঘের ছবি এবং ১০ সেকেন্ডের ভিডিওধারণ করেছে, যা থেকে প্রায় ১০ লক্ষাধিক ছবি ও ভিডিও বিশ্লেষণ করে সাত হাজার ২৯৭টি বাঘের ছবি পাওয়া গেছে। বাঘ সংরক্ষণে নানা উদ্যোগের মধ্যে গত আড়াই দশকে ২১টি বাঘের স্বাভাবিক মৃত্যু হলেও পাচারকারীদের হাতে মারা পড়েছে ২৬টি।
বন অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত আড়াই দশকে সব মিলিয়ে মারা যাওয়া বাঘের সংখ্যা ৬২। ২০২৪ সালে সর্বশেষ বাঘ জরিপে সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা ছিল ১২৫, যা আগের জরিপের চেয়ে ১১টি বেশি।

২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসের ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর দ্য কনজারভেশন অব নেচারের (আইইউসিএন) জরিপের তথ্য মতে, বর্তমানে সুন্দরবনে এক লাখ ৩৬ হাজার ৬০৪টি হরিণ রয়েছে। এর আগে ২০০৪ সালে হরিণের সংখ্যা ছিল ৮৩ হাজারটি। সেই হিসাবে ১৯ বছরের ব্যবধানে সুন্দরবনে হরিণ বেড়েছে ৫৩ হাজার ৬০৪টি।

সুন্দরবনের নদীতে প্রায় চারশ’ প্রজাতির মাছ পাওয়া যায়। গাছের মধ্যে সুন্দরী, কেওড়া, গরান, বাইন, গেওয়া, পশুর, গোলপাতা, হেতাল, কাঁকড়া, ঝানা, সিংড়া, খলসা ইত্যাদি। নদীতে নানা প্রজাতির মাছের মাঝে কুমির ও ভয়াল অজগরসহ প্রায় ৩৩ প্রজাতির সরীসৃপও বাস করে সুন্দরবনে। এছাড়াও শীতকালে অসংখ্য অতিথি পাখির আগমন ঘটে সুন্দরবন অঞ্চলে। প্রকৃতির নিজ হাতে গড়া সুন্দরবনের এই অপরূপ সৌন্দর্য যে কাউকে মুগ্ধ করে।

যে পথে যেতে পারেন সুন্দরবন:-
ঢাকা থেকে সুন্দরবনে যেতে পর্যটকদের সাধারণত প্রথমে খুলনা, বাগেরহাটের মোংলা অথবা সাতক্ষীরার শ্যামনগর যেতে হয়। এসব স্থান থেকে শুরু হয় সুন্দরবনের মূল নৌযাত্রা। ট্যুর অপারেটরদের মাধ্যমে ঢাকা থেকেও সুন্দরবন ভ্রমণের ব্যবস্থা রয়েছে। এমনকি সদরঘাট থেকে নদীপথে বিভিন্ন নদী ঘুরে সুন্দরবনে পৌঁছানোর করপোরেট প্যাকেজও রয়েছে।

একদিনেই সুন্দরবন ভ্রমণ করতে চাইলে করমজল পর্যটন কেন্দ্রে যেতে পারেন। ঢাকার মতিঝিল, আরামবাগ, শ্যামলী, কল্যাণপুর, গাবতলী থেকে গ্রিনলাইন, সোহাগ, হানিফ, ঈগল, এ কে ট্রাভেলসসহ বিভিন্ন এসি/ননএসি বাস খুলনার উদ্দেশে ছেড়ে যায় ভোর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত। এছাড়া সায়দাবাদ থেকে বিভিন্ন পরিবহনের বাস খুলনা, বাগেরহাট ও মোংলার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। এসব বাসে পদ্মা সেতু পাড় হয়ে আগের তুলনায় খুব কম সময় খুলনায় যেতে পারেন। খুলনায় ট্রেনে এবং যশোর পর্যন্ত বিমানে যাওয়া যাবে। পাশাপাশি নৌপথেও যেতে পারেন। খুলনায় নেমে লোকাল বাসে বাগেরহাট, মোংলা যাওয়া যাবে। এছাড়া ঢাকা থেকে সরাসরি মোংলায় অনেক বিলাসবহুল বাসে যেতে পারেন। খুলনা, বাগেরহাটের মোংলা ও সাতক্ষীরার শ্যামনগর থেকে সুন্দরবন ভ্রমণ করা যায়। তবে লঞ্চ বা জাহাজে যেতে হলে খুলনা ও মোংলা থেকে যেতে হবে।

ট্রাভেল এজেন্সির সঙ্গে গেলে সাধারণত সব ধরনের ফি প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত থাকে। তবে এক দিনের জন্য নিজ উদ্যোগে গেলে প্রতিটি জায়গার জন্য প্রবেশ ফি আলাদাভাবে দিতে হয়।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এসআই
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!