রোববার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ইসমাঈল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, গত মাসের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়া থেকে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেয়। আমাদের এ সিদ্ধান্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে অবহিত করি। শিক্ষা মন্ত্রণালয় আমাদের এ সিদ্ধান্তে ইতিবাচক সাড়া দেয়।
.png)
গুচ্ছ ভর্তি পদ্ধতি থেকে বের হয়ে আসার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক শাহ মো. আতিকুল হক বলেন, গুচ্ছ পদ্ধতিতে থাকার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি প্রক্রিয়া অনেক দীর্ঘ হয়ে গেছে। এতে আমাদের দেরিতে ক্লাস শুরু করতে হচ্ছে। যেটা স্বতন্ত্র ভর্তি প্রক্রিয়াতে হতো না। এমনকি অর্ধেক সেমিস্টার শেষ করে ফেলার পরও আসন ফাঁকা থাকার কারণে অনেক শিক্ষার্থীকে ভর্তি নিতে হচ্ছে। এটা শিক্ষার্থীদের জন্য যেমন ভোগান্তির তেমনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্র্যান্ড ভ্যালু, স্বকীয়তার উপর প্রভাব ফেলে।
তিনি বলেন, প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব রিসোর্স, একাডেমিক এক্সিলেন্স ও কারিকুলাম আছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষার্থী নেয়ার সময় বিদ্যাপীঠের এসব বৈশিষ্টগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রশ্ন করে। আমাদের শাবিপ্রবির প্রশ্নে প্রয়োগিক, দক্ষতা ও বিশ্লেষণী দক্ষতাসহ নির্দিষ্ট কিছুর উপর ভিত্তি করে শিক্ষার্থী ভর্তি নেয়। কিন্তু গুচ্ছ পরীক্ষার মাধ্যমে আমরা আগের মতো কোয়ালিটি শিক্ষার্থী পাচ্ছি না।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ. এম. সরওয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আমরা আজকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে মিটিং করেছি। আমরা গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়া থেকে বেরিয়ে এসেছি। আগামী সেশন থেকে আমরা নিজস্ব ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করাবো।
“আগামী ১২ ডিসেম্বর অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় স্বতন্ত্রভাবে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার পদ্ধতি ও বিস্তারিত নির্দেশিকা চূড়ান্ত করা হবে ।”