মহালয়ার ভোরে কয়রায় দেবীর আগমনী বার্তা, ৫৭ মণ্ডপে দুর্গাপূজা
মহালয়ার মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসবের আবহ শুরু হয়েছে খুলনার কয়রা উপজেলায়। এ বছর উপজেলায় ৫৭টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হচ্ছে। প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ; এখন চলছে মণ্ডপসজ্জা ও আলোকসজ্জার প্রস্তুতি।
শনিবার (১০ অক্টোবর) ভোরে বিভিন্ন মণ্ডপে চণ্ডীপাঠ, স্তোত্রপাঠ ও ধর্মীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে দেবীর আগমনী বার্তা উদ্যাপন করেন ভক্তরা।
সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপে চলছে শেষ মুহূর্তের সাজসজ্জার কাজ। বাঁশ, কাপড়, কাগজ ও নানা উপকরণ দিয়ে মণ্ডপের সৌন্দর্য বাড়াচ্ছেন কারিগররা। কোথাও ইতোমধ্যে বসানো হয়েছে আলোকসজ্জা, কোথাও চলছে সাজসজ্জার শেষ পর্যায়ের কাজ। সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে আলোকসজ্জায় নতুন রূপ পাচ্ছে মণ্ডপগুলো।
মহালয়া উপলক্ষে শনিবার ভোরে বিভিন্ন মণ্ডপে ভক্তদের উপস্থিতি দেখা যায়। কেউ চণ্ডীপাঠ ও প্রার্থনায় অংশ নেন, কেউ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দেখতে আসেন পূজার প্রস্তুতি। মহালয়ার মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিক আবহ শুরু হওয়ায় স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে উৎসাহ-উদ্দীপনা। পূজাকে সামনে রেখে উপজেলার বিভিন্ন বাজারে বেড়েছে কেনাকাটাও।
কয়রা উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার বৈরাগী জানান, প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। এখন মণ্ডপসজ্জা ও অন্যান্য প্রস্তুতি চলছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গোৎসব উদযাপনের লক্ষ্যে কাজ করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
মহালয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া উৎসবের আমেজ আগামী দিনগুলোতে আরও বাড়বে।১৭ অক্টোবর ষষ্ঠী থেকে শুরু হবে দুর্গাপূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা। পূজা, অঞ্জলি ও বিভিন্ন ধর্মীয়-সাংস্কৃতিক আয়োজনে মুখর হয়ে উঠবে কয়রার ৫৭টি পূজামণ্ডপ। ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে শেষ হবে শারদীয় দুর্গোৎসব।