ঢাকা,  বৃহস্পতিবার   ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

কেন্দুয়ায় দূর্গা প্রতিমা তৈরিতে চলছে শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতি

কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৮:৫৩, ৮ অক্টোবর ২০২৬
কেন্দুয়ায় দূর্গা প্রতিমা তৈরিতে চলছে শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতি
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

শারদীয় দুর্গাপূজাকে ঘিরে নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। উপজেলার ৪৪টি পূজামণ্ডপে কোথাও কোথাও প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ পর্যায়ে।আবার কোথাও কোথাও প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রতিমা শিল্পীরা। পাশাপাশি রং-তুলির আঁচড়ে প্রতিমাগুলোকে দেওয়া হচ্ছে শেষ রূপ এবং মণ্ডপ সাজানো ও আলোকসজ্জার কাজও এগিয়ে চলছে।

আজ সকালে কেন্দুয়া পৌরসভার শ্রী শ্রী হরিসভা দূর্গামন্দির মন্দির, পূর্বরায় সার্বজনীন দূর্গামন্দির, কান্দিউড়া সাহাপাড়া দূর্গামন্দির, মোজাফফরপুর বর্মন পাড়া দূর্গামন্দির,সাহিতপুর ত্রিনেত্রশ্বরী দূর্গামন্দির,বাট্টা সার্বজনীন দূর্গামন্দির ও আশুজিয়া সরকার বাড়ি দূর্গামন্দিরসহ কয়েকটি পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখা গেছে, কারিগররা ব্যস্ত প্রতিমার চোখ-মুখ, পোশাক ও অলংকারের কাজে। কেউ তুলিতে রং করছেন, কেউ ব্যস্ত সূক্ষ্ম কারুকাজে। পূজার সময় ঘনিয়ে আসায় দিন-রাত কাজ করছেন প্রতিমাশিল্পীরা।

কেন্দুয়া উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক সজল কুমার সরকার জানান, প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ হলেও মণ্ডপের সাজসজ্জা ও অন্যান্য প্রস্তুতি চলছে। এবার কেন্দুয়া উপজেলায় মোট ৪৪ টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দূর্গা উৎসব অনুষ্ঠিত হবে যা গত বছরের চেয়ে ২টি বেশি।এর মধ্যে ৩৮ টি স্থায়ী এবং ৬ টি অস্থায়ী। এ উৎসবকে কেন্দ্র করে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যেও তৈরি হয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।

প্রতিমাশিল্পী দিলীপ পাল জানান,ছোট বেলা থেকে প্রতিমা তৈরী করি।প্রতিমা তৈরিতে মাটির কাজ শেষ হওয়ার পর রং ও তুলির কাজই প্রতিমাকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেয়। বিশেষ করে চোখ-মুখের অভিব্যক্তি ও অলংকারের কাজে বাড়তি যত্ন নিতে হয়। তাই পূজার আগমুহূর্তে তাদের ব্যস্ততাও বেড়েছে।

পূজামণ্ডপে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে প্রশাসন।

কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেছেন পূজার সময় উপজেলার প্রতিটি পূজামণ্ডপে পুলিশের পাশাপাশি আনসার ও ভিডিপির সদস্যদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তারা দায়িত্ব পালন করবেন।তাছাড়া প্রতিটি মন্ডপেই সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে।

কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ সানজিদা চৌধুরী বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব হলো দুর্গাপূজা। শারদীয় দুর্গাপূজায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষেরা যাতে শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব পালন করতে পারে, সে জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা করা হয়েছে।

 

ডেইলি-বাংলাদেশ/নেত্রকোনা
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!