গ্রেফতারকৃতরা হলেন- পাবনার সুজানগর থানার রায়পুর ক্ষেতুপাড়া এলাকার খবির উদ্দিনের ছেলে মনির মোল্লা, বগুড়ার গাবতলী থানার মাঝিপাড়া এলাকার লৈমুদ্দিনের ছেলে মো. বাদশা প্রামাণিক ও গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর থানার রাঘবিন্দুরপুর এলাকার মহির উদ্দিনের ছেলে মো. রাশেদুল ওরফে আল আমিন।
বুধবার দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটনের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি-উত্তর) আবু তোরাব মো. শামসুর রহমান এক প্রেস ব্রিফিং করে এ তথ্য জানান।
.png)
আরো পড়ুন >>> রেজিস্ট্রার সাইফুলের তেলেসমাতি, বছরে উপরি আয় অর্ধকোটি
তিনি জানান, মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে লোহাকৈর এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতির সময় একদল ডাকাত বনের ভেতর অবস্থান করছিল। খবর পেয়ে কাশিমপুর থানা পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত সদস্যরা দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে পুলিশ তাদের তিনজনকে আটক করে। পরে তাদের দেহ তল্লাশি করে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি বিদেশি রিভলবার, ৩টি ম্যাগাজিন এবং ১৭ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। এছাড়া তাদের কাছ থেকে একটি হাইড্রলিক কাটার, একটি স্টিলের চাকু, একটি স্ক্রু ড্রাইভার ও রেইনকোট উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে কাশিমপুর থানায় ডাকাতির প্রস্তুতি ও অস্ত্র আইনে পৃথক দুটি মামলা করা হয়েছে।
আরো পড়ুন >>> প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে ‘জেল খাটা আসামি’
কাশিমপুর থানার ওসি মো. সানোয়ার জাহান জানান, গ্রেফতার মনিরের নামে বিভিন্ন থানায় ১০টি মামলা, বাদশা প্রমাণিকের নামে ৩টি ও আল আমিনের নামে ২টি মামলা রয়েছে। তারা গাজীপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতি করে আসছিল এবং তারা আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য।
প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন- গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার শাহাদাত হোসেন সুমা, সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি-কোনাবাড়ী জোন) মো. আমির হোসেন, কাশিমপুর থানার ওসি মো. সানোয়ার জাহান ও ওসি তদন্ত মো. মহিউদ্দিন প্রমুখ।