ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]
বিঝারী উপসী তারা প্রসন্ন উচ্চ বিদ্যালয়

প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে ‘জেল খাটা আসামি’

সোহাগী আক্তার নদী, শরীয়তপুর
প্রকাশিত: ১৩:৫৪, ২৯ মে ২০২৪
প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে ‘জেল খাটা আসামি’
ফাইল ফটো

অন্যতম প্রাচীন বিদ্যাপিঠ শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার বিঝারী উপসী তারা প্রসন্ন উচ্চ বিদ্যালয়। শুরু থেকেই প্রতিষ্ঠানটি সুনামের সঙ্গে পরিচালিত হয়ে এলেও বর্তমান প্রধান শিক্ষক নুরুল আমীন রতন যোগদানের পর থেকে খারাপ হতে থাকে পড়াশোনার মান। ফলে দিনদিন কমছে শিক্ষার্থীর সংখ্যা। এছাড়া ঐ প্রধান শিক্ষক একজন জেল খাটা আসামি। এমনকি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিয়ের অনুষ্ঠানে আয়োজন করেছিলেন বলেও রয়েছে অভিযোগ। ফলে শনিবার (১৮ মে) দুপুরে প্রধান শিক্ষক নুরুল আমীন রতনের প্রত্যাহার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছিলেন অভিভাবক ও স্থানীয়রা। 

ঐ সময় বিক্ষোভকারীরা জানান, ১৮৯৮ সালের ১ নভেম্বর বিঝারী উপসী তারা প্রসন্ন উচ্চ বিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয়। শুরু থেকেই প্রতিষ্ঠানটি সুনামের সঙ্গে পরিচালনা হয়ে আসছিল। ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন নুরুল আমীন রতন। এরপর থেকে পড়াশোনা মান খারাপ হতে শুরু করে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। একসময় প্রতিষ্ঠানটিতে অসংখ্য শিক্ষার্থী থাকলেও দিনদিন সেই সংখ্যাও কমেছে।  

প্রধান শিক্ষকের প্রত্যাহার দাবিতে বিক্ষোভ

Advertisement

অভিভাবক আব্দুল মান্নান ঢালী অভিযোগ করে বলেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুল আমীন রতন একজন জেল খাটা আসামি। একটি ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসামি এটা আমি অভিভাবক হিসেবে মেনে নিতে পারি না। তাছাড়া উনি এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিয়ের অনুষ্ঠানে আয়োজন করেছিলেন। সবমিলিয়ে আমি মনে করি, এমন একজন ব্যক্তি প্রধান শিক্ষক হিসেবে থাকার উপযুক্ত না। আমরা তার অপসারণ চাই।

আরেক অভিভাবক গিয়াস হাওলাদার বলেন, একটা সময় এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অনেক ভালো ফলাফল করেছে। রতন স্যার দায়িত্ব আসার পর থেকে ফলাফল খারাপ হওয়া শুরু করেছে। আমি মনে করি এটা তার ব্যর্থতা। তিনি যতদিন এখানে থাকবেন প্রতিষ্ঠানটির অবনতি হবে।

প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর ছাত্তার বলেন, আমাদের স্কুলটি সুনামের সঙ্গে পরিচালনা হয়ে আসছে। আর বিদ্যালয়ে বিয়ের আয়োজনের বিষয়টি ছিল সাধারণ অনুষ্ঠান। বিদ্যালয়ে দুজন স্টাফের বিয়ে হয়েছিল তাও অভিভাবকদের অনুমতি সাপেক্ষে।

বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি রতন হালদার বলেন, বর্তমান প্রধান শিক্ষক একটি মামলায় কারাগারে রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ, এই ব্যাপারে তিনিই ভালো বলতে পারবেন। তবে স্কুলের ব্যাপারে তার দায়িত্বহীনতার অভিযোগ পেলে আমরা ব্যবস্থাপনা কমিটি বসে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবো।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এসআরএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!