ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]
মিয়ানমারে গোলাগুলি

দফায় দফায় বাংলাদেশে পালিয়ে আসছেন বিজিপি সদস্যরা

কক্সবাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২০:২৩, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
দফায় দফায় বাংলাদেশে পালিয়ে আসছেন বিজিপি সদস্যরা
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

মিয়ানমারের সামরিক জান্তা বাহিনী ও স্বাধীনতাকামী বিদ্রোহীদের চলমান সংঘর্ষের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে বাংলাদেশে। প্রাণে বাঁচতে দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) এর সদস্যরা দফায় দফায় পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিচ্ছেন।

রোববার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার-৩৪ বিজিবির কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল আশরোকি।

তিনি জানান, বিজিপি সদস্যরা দফায় দফায় বাংলাদেশ সীমান্তের বিজিবি ক্যাম্পে আশ্রয় নিচ্ছেন। এখনো অনেক বিজিপি সদস্য আসছেন। ঠিক কতজন আশ্রয় নিয়েছেন সেটা এই মুহূর্তে নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। আশ্রয় নেয়া বিজিপি সদস্যদের অনেকে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত অবস্থায় রয়েছেন।

Advertisement

এর আগে, রোববার সকালে ঘুমধুম-তুমব্রু সীমান্তে মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে এক বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। সবমিলিয়ে এখন পর্যন্ত সেখানে তিনজন বাংলাদেশি আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সামরিক জান্তা বাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহী গ্রুপের মধ্যে তুমুল লড়াই চলছে। তাদের ছোড়া গুলি ও রকেট লাঞ্চার বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম-তুমব্রু সীমান্তে উড়ে এসে পড়ছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী ক্যাম্প দখলকে কেন্দ্র করে উভয়ের মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলি হচ্ছে। শনিবার বিকেল থেকে থেমে থেমে গোলাগুলি হচ্ছিল। রোববার ভোর থেকে লাগাতার গোলাগুলি, মর্টার শেল নিক্ষেপ ও রকেট লান্সার বিস্ফোরণে, বিকট শব্দে কেঁপে উঠছে সীমান্তবর্তী নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম-তুমব্রুর বিস্তীর্ণ এলাকা। শুধু তাই নয় গুলি ও রকেট লাঞ্চার উড়ে এসে পড়ছে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে। এতে কয়েকজন আহত হয়েছেন।

এসব ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে এলাকাবাসী। ছেলে-মেয়েদের স্কুলে পাঠাতেও পারছেন না অভিভাবকরা। এ কারণে সীমান্তের ৫ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়াও কৃষকরা কৃষি ক্ষেতে যেতে ও দৈনন্দিন কাজে যেতে ভয় পাচ্ছেন।

কক্সবাজার-৩৪ বিজিবির কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল আশরোকি বলেন, বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম সীমান্তে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিপি) রাত থেকে তুমুল যুদ্ধের মধ্যে কয়েকজন বিজিপি সদস্য প্রাণ বাঁচতে বাংলাদেশ সীমান্তে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেন। তাদের ঘুমধুম সীমান্ত বিওপিতে রাখা হয়েছে।

বিজিপি সদস্যদের অস্ত্র ও গুলি বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিবি) কাছে জমা রাখা আছে বলেও জানান তিনি।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমআই
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!