সংঘর্ষে গুরুতর আহত মর্জিনা বেগম (৪৫), রেহানা বেগম (৪০), মুন্নি আক্তার (২০) ও আলা আমীন মীরকে (২২) পার্শ্ববর্তী সদরপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাররা গ্রামে এক উরশ উপলক্ষে মেলার আয়োজন চলছিল। শুক্রবার বিকেলে বাররা গ্রামের আলামীন ও মুন্নার সঙ্গে ফুকরাহাটি গ্রামের নুরু খাঁর ছেলে রতনের তুচ্ছ বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এ ঘটনার জের ধরে আলামীনের দলের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে উরশ আয়োজনের স্থলে আসেন। এরপর ফুকুরহাটি গ্রামের লোকদের সঙ্গে মেলায় আগতরা যোগ দিয়ে সম্মিলিতভাবে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাদের ধাওয়া করেন। এতে দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধ। এ সময় আলামীনের পক্ষের লোকদের ৭/৮টি বাড়িঘর ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। এরমধ্যে বাররা গ্রামের আলামীন, বারেক মীর, লুৎফর মীর, জব্বার মীর, জহুর জমাদ্দার , ইউনুস জমাদ্দার ও মর্জিনা বেগমের বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়। খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
.png)
এ বিষয়ে স্থানীয় নুরুল্লাগঞ্জ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান তরিকুল ইসলাম তারেক বলেন, বাররা বাজারে প্রতি বছর রহমান শাহের উরশ উপলক্ষে মেলার আয়োজন করা হয়। উক্ত মেলায় বাররা গ্রামের আলামিন ও মুন্নার সঙ্গে পার্শ্ববর্তী ফুকরাহাটি গ্রামের নুরু খাঁর ছেলে রতন খাঁ সঙ্গে কথা কাটাকাটির জেরে এ ঘটনা ঘটে। এতে মেলার লোকজন রতনের পক্ষ নিয়ে আলামীনসহ কয়েকজনকে ধাওয়া করেন।
ভাঙ্গা থানার এসআই আব্দুল হক বলেন, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বাররা গ্রামের আলামীন ও ফুকরাহাটি গ্রামের রতনের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। এ নিয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। রাতেই ভাঙ্গা থানায় একটা অভিযোগ দিয়েছে। তদন্ত-পূর্বক দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
ভাঙ্গা থানার ওসি মামুনুর রশিদ জানান বলেন, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে কয়েকটি বাড়ি ভাঙচুর হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।