বুধবার মাবিয়া বেগম আদালতে জামিন শুনানির প্রার্থনা করলে আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিনের দরখাস্ত নামঞ্জুর করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মো. মেহেদী হাসান তালুকদার তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। তিনি জেলার বদলগাছী উপজেলার চাপাডাল গ্রামের আসাদুল হাকিমের স্ত্রী।
মাবিয়া বেগমের পক্ষে জামিন শুনানি করেন অ্যাডভোকেট শুভ্র সাহা এবং রাষ্ট্রপক্ষে জামিনের বিরোধিতা করেন বিশেষ পি.পি অ্যাডভোকেট মো. মকবুল হোসেন।
.png)
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ১৯ নভেম্বর মাবিয়া বেগম একই গ্রামের তহিদুল তুহিনসহ তিনজনের বিরুদ্ধে বাড়ির পূর্ব উত্তর কোনায় ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ কর্তৃক তদন্ত শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা না থাকায় প্রতিবেদন দাখিল করেন। ভিকটিম পুলিশ রিপোর্টের বিরুদ্ধে নারাজি দরখাস্ত দাখিল করলে শুনানি অন্তে মঞ্জুর পূর্বক ঘটনাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তের আদেশ দেন।
ঘটনাটির সত্যতা রয়েছে মর্মে অনুসন্ধান পূর্বক আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরবর্তীতে আদালত তিনজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে চলতি বছরের ১০ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা আনয়ন করা হয়েছে পর্যবেক্ষণ দিয়ে সব আসামিকে খালাস প্রদান করেন। আসামিরা শারীরিক, আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দাবি করে চলতি বছরের ১ আগস্ট ধর্ষণের চেষ্টা দাবি করা নারী মাবিয়া বেগমসহ তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে অভিযোগ করেন।
আদালতের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মো. মেহেদী হাসান তালুকদার অভিযোগটি আমলে নিয়ে মিথ্যা মামলা দায়ের করা উক্ত নারীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। আদালতে উপস্থিত হয়ে মাবিয়া বেগম জামিন শুনানির প্রার্থনা করলে আদালত উভয় পক্ষের শুনানি অন্তে বিচারক জামিনের দরখাস্ত নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।