সোমবার শহরের পশ্চিম পাইপাড়া (মোদকবাড়ি মোড়) এলাকা থেকে এ অভিযান শুরু হয়। মঙ্গলবারও আবর্জনা অপসারণ এবং খাল উদ্ধার কার্যক্রম চলবে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ধারাবাহিকভাবে খাল উদ্ধারের অংশ হিসেবে মেড্ডা পুলিশ ফাঁড়ির খাল উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা। এর আগে, মেড্ডা শ্মশান খালটি উদ্ধারে অভিযান চালানো হয়েছে। বর্তমানে পুলিশ ফাঁড়ির খাল এবং পরবর্তীতে শহরের গুরুত্বপূর্ণ টাউন খাল উদ্ধারে অভিযান চালানো হবে।
.png)
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. জামাল মিয়া বলেন, বেশ কয়েক বছর ধরে খালগুলো ভরাট হয়েছিল। এতে অল্প বৃষ্টি হলেই পৌর এলাকার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ত। আজ এই খাল পরিষ্কার করায় মানুষ অনেক উপকৃত হবে।
৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মিজানুর রহমান আনসারী বলেন, খালটি পৌর এলাকার ৪টি ওয়ার্ডের মানুষের পানি নিষ্কাসনের পথ ছিল। এছাড়া নাটাই (উত্তর) ইউনিয়নের পানিও এই খাল দিয়ে প্রবাহিত হয়ে তিতাস নদীতে যায়। আজ এই খাল পরিষ্কার করায় মানুষের অনেক উপকার হবে। আমরা মানুষকে আহ্বান জানাবো যেন তারা এই খালে ময়লা না ফেলে। তাহলেই খাল পরিষ্কার থাকবে।
পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) সুমন দত্ত বলেন, আমাদের অধীনে যতগুলো খাল রয়েছে সবগুলো একে একে উদ্ধার করবো। আগামী ১০দিন খালগুলোর পাড়ে মাইকিং করবো। এরপরও যদি অবৈধ দখলদাররা সরে না যায়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. আব্দুল কুদদূস জানান, মেড্ডা পুলিশ ফাঁড়ি থেকে খৈয়াসার পর্যন্ত ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে রাস্তা নির্মাণ করা হবে। পরবর্তীতে শহরের সব খাল এবং পুকুর দখলমুক্ত করা হবে। মানুষ যেন সুফল পায় পুকুরগুলোকে সেই অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হবে।