জানা যায়, মিরাজ আলি রোববার বিকেলে সহকর্মীদের নিয়ে নাস্তিপুর ঘাটের কাছে অপেক্ষা করতে থাকে। সুযোগ বুঝে মেরাজ তার কোমরে সেট করা ৬৮ সোনার বার নিয়ে সীমান্তের ওপারে যাওয়ার উদ্দেশ্যে নদীতে লাফ দিয়ে নিখোঁজ হয়। পরে তার সহকর্মীরা বাড়িতে খবর দিলে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে গ্রামের ঘাট মোড়ে লাশ ভেসে উঠে। লাশ ডাঙ্গায় তোলার পরপরই স্থানীয় ক্যাম্পের বিজিবি ও দর্শনা পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির হয়। পরে মিরাজের কোমরে বিশেষ ব্যবস্থায় বাঁধা ৬৮ সোনার বার উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার তদন্তকারী কর্মকর্তা দর্শনা থানার এসআই আব্দুর রহমান জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মিরাজের লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
.png)
চুয়াডাঙ্গা-৬ ব্যাটালিয়ন বিজিবি অধিনায়ক আবু সাঈদ মোহাম্মদ জাহিদুর রহমান জানান, লাশের কোমরে বিশেষভাবে বেঁধে রাখা ১০ কেজি ২৬৩ গ্রাম সোনা পাওয়া গেছে। দর্শনা থানা পুলিশ সন্ধা ৬টার দিকে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা মর্গে প্রেরণ করেছে।