এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সৈকতের গঙ্গামতি পয়েন্টে গোসলে নেমে স্রোতের টানে আপন বড় ভাইয়ের হাত থেকে ছুটে নিখোঁজ হয় কিশোর নাবিল। পরে স্থানীয় ডুবুরি দলের পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিস সিভিল স্টেশন ও পটুয়াখালী থেকে আগত ডুবুরি দল কয়েক দফা উদ্ধার অভিযান চালায়। কিন্তু সমুদ্র তীরে প্রচণ্ড ঢেউ এবং নিয়ন্ত্রণহীন স্রোতের কারণে নিখোঁজের হদিস পাননি উদ্ধারকারীরা।
এদিকে পুত্রশোকে কাতর মায়ের আহাজারি দেখে অশ্রুসিক্ত হচ্ছেন সাগর পারের মানুষ। এছাড়া স্রোতের মাঝে সহোদরকে আগলে রাখতে না পেরে বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন বড় ভাই সিয়াম। আর অতি আদরের নাবিলকে এক নজর দেখতে গভীর রাতে সমুদ্র পাড়ে ভিড় করছেন স্বজনরা।
.png)
নিখোঁজ নাবিলের মামা হানিফ গাজী জানান, ২০০৭ সালে মৃত্যু হয় তার স্কুল শিক্ষিকা বোনের স্বামী বজলুর রহমানের। এরপরে দুই সন্তানকে আগলে রেখে বড় করছিলেন তার মা। কিন্তু এই ঈদে দুই সন্তানকে নিয়ে তার বাড়িতে বেড়াতে আসেন বোন জয়নব। ঈদের দ্বিতীয় দিন সকালে তার ছেলে মাসুম এবং সাইমুমকে নিয়ে ঘুরতে বের হন বোনের দুই ছেলে। পরে সাগরে গোসলে নেমে স্রোতের টানে ভেসে যায় ছোট ভাগ্নে নাবিল। এখন কিছু সময় আগে আমার ভাগ্নের লাশ একই স্থানে পাওয়া গেছে।
মহিপুর থানার ওসি ফেরদাউস আলম খান জানান, নিখোঁজের ১৩ ঘণ্টা পর স্বজনরা নাবিলের লাশ ভাসমান অবস্থায় পেয়েছেন। এরমধ্যে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।