গ্রেফতারকৃতরা হলেন, আতিয়ার রহমান (৩০) বেনাপোল পোর্ট থানার ধান্যখোলা উত্তরপাড়ার মৃত আ. মান্নানের ছেলে ও মহিদুল ইসলাম (৪০) বেনাপোল পোর্ট থানার ধান্যখোলা দক্ষিণ পাড়ার আইয়ুব আলীর ছেলে।
জেলা গোয়েন্দা শাখার ওসি রুপন কুমার সরকার জানান, সম্প্রতি যশোরের অভয়নগর, মনিরামপুর ও খুলনার বিভিন্ন অঞ্চলে কথিত চরমপন্থী সংগঠন ‘নিউ বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টি ও পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টি’ এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, সন্ত্রাসী কার্যক্রম, চাঁদাবাজির জন্য কয়েকটি হত্যাকাণ্ড সংঘটন করে। উল্লেখিত ঘটনাসমূহ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে জেলার পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদার (বিপিএম (বার), পিপিএম) ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার ও হত্যার কাজে ব্যবহৃত অস্ত্রগুলো সরবরাহকারীদের শনাক্ত পূর্বক গ্রেফতারের জন্য জেলা গোয়েন্দা শাখাকে নির্দেশ প্রদান করেন।
.png)
এর ধারাবাহিকতায়, ডিবির এসআই মফিজুল ইসলাম (পিপিএম) গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তার নেতৃত্বে এসআই শফি আহমেদ রিয়েল, এএসআই রঞ্জন কুমার বসুসহ সঙ্গীয় ফোর্সসহ একটি টিম বুধবার রাত ৩টার দিকে বেনাপোল পোর্ট থানার ধান্যখোলা গ্রামে অভিযান চালান। এ সময় সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অস্ত্র-গুলি সরবরাহকারী দুই সদস্যকে গ্রেফতার করে ধৃত আসামি মহিদুল ইসলামের বসতঘর থেকে ৩টি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, ৬ রাউন্ড গুলি ও তাদের ব্যবহৃত মোবাইল উদ্ধার করেন।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও তাদের ব্যবহৃত মোবাইল পর্যালোচনায় জানা যায়, কথিত চরমপন্থী সংগঠনের নেতা দিপংকর বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অস্ত্রগুলো সরবরাহ করে সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও মানুষ হত্যার পরিকল্পনা করেন। উল্লেখিত উদ্ধারকৃত অবৈধ অস্ত্রগুলোর ব্যাপারে এসআই মফিজুল ইসলাম (পিপিএম) বাদী হয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় এজাহার দায়ের করেছেন।