সোমবার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ মডেল থানার ওসি মো. আবদুল হালিম।
সোমবার হ্নীলা পশ্চিম রঙ্গিখালী শীলের জিরি পাহাড়ের ঢালে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। আটক গিয়াস উদ্দিন ঐ এলাকার গুরা মিয়ার ছেলে।
.png)
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান রাশেদ মোহাম্মদ আলী ও ইউপি সদস্য মো. আলী জানান, জমি দখল, সন্ত্রাস, বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ, লুটপাট, প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শন, মাদক ও মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত গিয়াস উদ্দিন। গিয়াস বাহিনীর নির্যাতনে হ্নীলার রঙ্গীখালীর একটি গ্রাম এখন পুরুষ শূন্য। তার গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় আনন্দ উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়েছে। হাট বাজার ও পাড়ায় পাড়ায় চলছে মিষ্টি বিতরণ।
টেকনাফ থানার ওসি আবদুল হালিম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হ্নীলা ইউপির রঙ্গিখালী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ১টি দেশীয় তৈরি একনলা বন্দুক, ১টি ওয়ান শুর্টারগান, ২ রাউন্ড রাবার কার্তুজ এবং ৫ হাজার ইয়াবাসহ উদ্ধার করা হয়। গিয়াস উদ্দিনের বিরুদ্ধে ১৩টি মামলা রয়েছে।
ওসি আরো জানান, গিয়াস ডাকাতের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে নিয়মিত মামলার পর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তার অপকর্মের তথ্য উদঘাটন করতে আদালতের কাছে রিমান্ড চাওয়া হবে।
জানা গেছে, গিয়াস ডাকাতের সঙ্গে রোহিঙ্গা সশস্ত্র বিরোধী সংগঠন আরসা (আরএসও) সহ একাধিক সংগঠনের অপকর্মের সঙ্গে গিয়াস ডাকাতের সম্পৃক্ততা রয়েছে। বিশেষ করে স্থানীয়দের অপহরণ করে রোহিঙ্গা সস্ত্রাসীদের আস্তানায় নিয়ে যাওয়া ও মুক্তিপণ আদায়ের ক্ষেত্রে গিয়াসের অগ্রণী ভূমিকা রয়েছে। বহুল আলোচিত রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী নবী হোসেন ও হাকিম ডাকাতের সঙ্গে গিয়াস ডাকাতের রয়েছে দহরম মহরম সম্পর্ক। রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের আস্তানায়, অস্ত্র, খাদ্য, গোলাবারুদ ও ইয়াবা চালানের মূল যোগানদাতা হচ্ছে ভয়ঙ্কর গিয়াস ডাকাত।