ঢাকা,  সোমবার   ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

ছাত্রাবাসে ঝুলছিল গৃহবধূর লাশ

নওগাঁ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৭:২২, ২৪ জুন ২০২১
ছাত্রাবাসে ঝুলছিল গৃহবধূর লাশ
ফাইল ছবি

নওগাঁর সাপাহার উপজেলা সদরের মাতৃছায়া ছাত্রাবাস থেকে সুমি খাতুন নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার সকালে লাশটি নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। এর আগে বুধবার রাতে সুমির লাশটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত সুমি জেলার পত্নীতলা উপজেলার দিবর গ্রামের আলী হোসেনের মেয়ে। তার স্বামীর নাম সেলিম রেজা। সেলিম সাপাহার উপজেলার উত্তরপাতাড়ী গ্রামের তফিজুল ইসলামের ছেলে।

Advertisement

পুলিশ জানায়, ৯ মাস আগে সেলিমের সঙ্গে সুমির বিয়ে হয়। সেলিম বেসরকারি একটি কোম্পানিতে কর্মরত থাকায় সাপাহার উপজেলা সদরের সৌদি মসজিদ সংলগ্ন মাতৃছায়া ছাত্রাবাসের একটি ঘর ভাড়া নিয়ে থাকতেন। আর সুমি বাড়িতেই থাকতেন।

মঙ্গলবার সুমিকে শ্বশুরবাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে নিয়ে যান আলী হোসেন। পরে বুধবার দুপুর ১২টার দিকে মেয়েকে উপজেলা সদরের জিরো পয়েন্টে জামাই সেলিমের কাছে রেখে নিজ বাড়িতে চলে যান তিনি। একইদিন সন্ধ্যায় সুমি ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে শ্বশুরকে মুঠোফোনে জানান সেলিম। পরে শ্বশুরসহ পরিবারের লোকজন গেলে সেলিম পালিয়ে যান।

মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে দাবি করে এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চান সুমির বাবা আলী হোসেন।

সাপাহার থানার ওসি তারেকুর রহমান সরকার জানান, ঘটনাস্থল থেকে বাম হাত রশি দিয়ে বাঁধা ও গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় সুমির ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

তিনি আরো জানান, সুমির শরীরে হত্যার বিভিন্ন আলামত পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা হয়েছে। নিহতের স্বামীকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তাকে পেলেই মৃত্যুর রহস্য জানা যাবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!