ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

করোনাকালে কমলগঞ্জে ইনফ্লুয়েঞ্জা-টাইফয়েড

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৭:০১, ৩০ জুন ২০২০
করোনাকালে কমলগঞ্জে ইনফ্লুয়েঞ্জা-টাইফয়েড
ফাইল ছবি

করোনা সংক্রমণকালে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে এখন ভাইরাস ইনফ্লুয়েঞ্জা ও টাইফয়েডের প্রকোপ শুরু হয়েছে। আতঙ্কিত হয়ে রোগীরা  প্রাইভেট ফিজিশিয়ানের কাছে চিকিৎসা সেবা নিয়ে নিজ বাসায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কমলগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় প্রাইভেট চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা যায়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার সর্বত্রই মানুষজন ভাইরাল  ইনফ্লোয়েঞ্জায় ভুগছেন। ইনফ্লুয়েঞ্জার কারণে রোগীর জ্বরের সঙ্গে সর্দি, কাশি,মাথা ব্যথা রয়েছে। জ্বর, সর্দি, কাশি ও মাথা ব্যথার কারণে প্রথমেই আক্রান্তদের মাঝে করোনার ভয় শুরু হয়। এ অবস্থায় স্থানীয় প্রাইভেট চিকিৎসকদের কাছে গেলে তাদের দেয়া পরামর্শে ডায়গনস্টিক সেন্টারে গিয়ে রক্ত পরীক্ষা করে দেখা যায় ইনফ্লুয়েঞ্জার সঙ্গে রোগীরা টাইফয়েডে আক্রান্ত রয়েছেন। 

ইনফ্লুয়েঞ্জা ও টাইফয়েডের আক্রান্ত কয়েকজন রোগী জানান, জ্বর, সর্দি, কাশি ও মাথা ব্যথা থাকায় প্রতিবেশীদের মাঝে গুঞ্জন শুরু হয়ে যায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন বলে। অনেক প্রতিবেশী দূরত্ব বজায় রেখে চলতে শুরু করে।

Advertisement

শমসেরনগর পপুলার ডায়গনস্টিক সেন্টার সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন বিভিন্ন চিকিৎসকের দেয়া ব্যবস্থাপত্রের আলোকে রোগীর রক্ত পরীক্ষা করে দেখা যায় রোগীর একটি অংশ টাইফয়েডে আক্রান্ত রয়েছেন।

কমলগঞ্জ পৌরসভার ভানুগাছ বাজার এলাকার প্রাইভেট চিকিৎসক ডা. নুরুল ইসলাম ও শমসেরনগর বাজারের প্রাইভেট চিকিৎসক ডা. শ্যামলেন্দু সেন শর্মা বলেন, এ সময়টায় ইনফ্লুয়েঞ্জা ও টাইফয়েডের সংক্রমণকাল। এক এলাকায় ইনফ্লুয়েঞ্জা শুরু হলে তা ভাইরাল হয়ে সর্বত্র ছড়ায়। আর এখন বৃষ্টির সময় হিসেবে পানিবাহিত রোগ টাইফয়েডে মানুষজন আক্রান্ত হচ্ছেন। 

তারা আরো বলেন, প্রতিদিন তারা গড়ে তিনজন করে টাইফয়েড রোগীর চিকিৎসা সেবা দিছেন। এসব রোগীরা বাসায় বিশ্রাম নিয়ে ফুটানো পানি পান করতে হবে। তবে ভয়ের কোনো কারণ নেই, বিশ্রামের সঙ্গে নিয়মিত ওষুধ সেবন করলেই ইনফ্লুয়েঞ্জা ও টাইফয়েড রোগী সুস্থ হয়ে যাবেন।

কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এম মাহবুবুল আলম ভূঁইয়া কমলগঞ্জে ইনফ্লুয়েঞ্জা ও টাইফয়েড রোগের কথা স্বীকার করে বলেন, আবহাওয়ার কারণে এ সময়ে এ রোগ হয়ে থাকে। তবে এ রোগের প্রাদুর্ভাব তেমন দেখা যাচ্ছে না। সুতরাং আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ এ দিকে সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/জেএইচ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!