ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩

[ ধর্ম ]

রাসূলের (সা.) হাদিস (পর্ব-২)

গাজী মো. রুম্মান ওয়াহেদ
প্রকাশিত: ১৪:৪০, ১৪ এপ্রিল ২০২০
রাসূলের (সা.) হাদিস (পর্ব-২)
বিশ্বনবী রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ২২৩)

ইসলাম পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাকে ঈমানের অংশ হিসেবে ঘোষণা করেছে। 

পবিত্র কোরআনুল কারিমে পবিত্রতাকে (নির্ধারিত পদ্ধতিতে অর্জিত পরিচ্ছন্নতা) দ্বিনের অন্যতম উদ্দেশ্য এবং তাকে আল্লাহর অনুগ্রহ লাভের মাধ্যম হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। ইরশাদ হয়েছে, ‘আল্লাহ তোমাদের কষ্ট দিতে চান না; বরং তিনি তোমাদের পবিত্র করতে চান এবং তোমাদের প্রতি তাঁর অনুগ্রহ পরিপূর্ণ করতে চান, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করো।’ (সূরা : মায়িদা, আয়াত : ৬)।

আরো পড়ুন>>> রাসূলের (সা.) হাদিস (পর্ব-১)

বিশ্বনবী রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ২২৩)

ইসলামি শরীয়ত মুমিনকে তার জীবনের সর্ব পর্যায়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকার নির্দেশ দিয়েছে। তবে মহানবী (সা.) এর জীবনচরিত পাঠ করলে এমন কিছু সুন্নতের খোঁজ পাওয়া যায়- যা বিভিন্ন ধরনের রোগ-বালাই প্রতিরোধে চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের পরামর্শের অনুকূল। হাদিসগুলো ডেইলি বাংলাদেশের পাঠকদের জন্য ধারাবাহিকভাবে চলবে। ইনশাআল্লাহ!

প্রিয় নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক উল্লেখযোগ্য কিছু হাদিস তুলে ধরা হলো-

(২) খাবার গ্রহণের আগে হাত ধোয়া : 

সালমান (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘খাবারের বরকত লাভের উপায় হলো তার আগে ও পরে ওজু করা।’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস : ৩৭৬১)।

হাদিসবিশারদরা বলেন, এখানে ওজু দ্বারা উদ্দেশ্য—ভালোভাবে হাত ও মুখ পরিষ্কার করা, শরীরে ময়লা থাকলে তা পরিষ্কার করে বসা। ইসলামি আইনজ্ঞরা এ হাদিসের আলোকেই খাওয়ার আগে দুই হাত ধোয়াকে সুন্নত বলেন। আর এখানে বরকত দ্বারা শারীরিক উপকারই বোঝানো হয়েছে। (মিরকাতুল মাফাতিহ : ৭/২৭১৪)।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএজে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!