দাঁত ব্রাশের সঙ্গে নিয়মিত জিহ্বা পরিষ্কার করছেন তো?
নিয়মিত জিহ্বা পরিষ্কার করা দাঁত ব্রাশ করার মতোই সমান গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন দাঁত পরিষ্কারের সময় অবশ্যই জিহ্বা পরিষ্কার করুন।
এর সঙ্গে আপনার দাঁত এবং মুখের সামগ্রিক সুস্থতা জড়িয়ে আছে। বিশেষ করে রোজা রেখে এটি অবশ্যই করা উচিত। ব্রাশ করার সময় এটি দিয়ে হালকাভাবে জিহ্বা ঘষে নিন।
নিয়মিত এভাবে স্ক্রাব করলে খুব সহজেই জিহ্বা পরিষ্কার হয়ে যাবে। নিয়মিত জিহ্বা পরিষ্কার করার রয়েছে অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা। জেনে নিন সেগুলো-
দাঁতের ক্ষয় রোধ করে
দাঁতের ফাঁকে আটকে থাকে বিভিন্ন খাবারের কণা। ব্রাশ করার পর সেগুলো পরিষ্কার হলেও মুখে কিছু ব্যাকটেরিয়া থেকেই যায়। যা আপনার দাঁত ক্ষয়ের কারণ হতে পারে। এই ব্যাকটেরিয়াগুলো জিহ্বার সঙ্গে লেগে থাকে। তাই নিয়মিত জিহ্বা পরিষ্কার করুন। এতে দাঁতের ক্ষয় রোধের পাশাপাশি দাঁত ভালো রাখতে সহায়তা করবে।
জিহ্বার চেহারা উন্নত করে
নোংরা জিহ্বায় ধূসর বর্ণের প্রলেপ পড়ে। এতে খাদ্য কণা এবং ব্যাকটেরিয়া রয়েছে। দেখতেও খারাপ লাগে। তাই জিহ্বাকে সঠিকভাবে পরিষ্কার করা জিভের মৃত ত্বকের পাশাপাশি এই ব্যাকটেরিয়াগুলো অপসারণে সহায়তা করে। তবে খুব জোরে নয় হালকা হাতে জিহ্বা স্ক্রাব করে পরিষ্কার করুন। নিয়মিত স্ক্রাবিংয়ে আপনি পাবেন গোলাপি এবং স্বাস্থ্যকর জিহ্বা।
স্বাদের অনুভূতি উন্নত করে
সারা দিন বিভিন্ন ধরনের খাবারের কারণে জিহ্বা এক ধরনের প্রলেপ পড়ে। যা আপনার জিভের স্বাদ গ্রহণের ক্ষমতায় বাধা দেয়। সঠিকভাবে স্ক্রাবিং করে এই প্রলেপ পরিস্কার করে নিন। এতে করে আপনি খাবারের স্বাদ আরো ভালোভাবে নিতে পারবেন।
মুখের দুর্গন্ধ কমায়
দিনে দুই থেকে তিনবার দাঁত ব্রাশ করছেন। তবুও মুখের দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না? মুখে দুর্গন্ধ হওয়ার অনেক কারণ থাকতে পারে। যার মধ্যে একটি নোংরা জিহ্বা। জিহ্বার ব্যাকটেরিয়া স্টোরহাউসে পরিণত হয়। তাই মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে প্রতিবার ব্রাশ করার পর জিহ্বাও পরিষ্কার করে নিন।
হজমশক্তি উন্নত করে
জিহ্বা নিয়মিত পরিষ্কার করলে ব্যাকটেরিয়া জমতে পারে না। এই ব্যাকটেরিয়া আপনার হজম প্রক্রিয়াকে বাধা দিতে পারে। জিহ্বা পরিষ্কারের প্রক্রিয়ায় মুখে প্রচুর পরিমাণে লালা তৈরি করে। যা খাদ্য হজমে সহায়তা করে।
সূত্র: টাইমসঅবইন্ডিয়া