কমেডি ওয়াইল্ডলাইফ অ্যাওয়ার্ডসের কয়েকটি বিরল ছবি
কখনও গাছের ডালে বসে স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া। কখনও ধূসর মাঠে সঙ্গীর সঙ্গে খুনসুটি। কোথাও আবার আলসেমির ঘুম ছেড়ে উঠে আড়মোড়া ভাঙার ছবি। এমন সব মজাদার দৃশ্যই লেন্সবন্দি করেছেন দুনিয়ার নানা প্রান্তের ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফারেরা। লক্ষ্য কমেডি ওয়াইল্ডলাইফ অ্যাওয়ার্ডস।
চলতি বছরের কমেডি ওয়াইল্ডলাইফ অ্যাওয়ার্ডস এর শিরোপার ফলাফল জানা যাবে ১৩ নভেম্বর। বুধবার এই প্রতিযোগিতার ফাইনালিস্টদের ছবি প্রকাশিত হয়েছে। পরিবেশ সচেতনতায় ৪০ জন ফটোগ্রাফার ক্যামেরাবন্দি করেছেন বন্যপ্রাণীদের নানা মুডের ছবি।

এই প্রতিযোগিতার উদ্যোক্তা পল জনসন-হিকস জানিয়েছেন, আগামী ১৩ নভেম্বর বিচারকদের একটি প্যানেল তা স্থির করবেন। তাদের আতস কাচের তলাতেই থাকবে ৪০টি ছবি।

উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, বিজয়ীকে একটা ট্রফি দেয়া হবে। সেই সঙ্গে কেনিয়ায় এক সপ্তাহের জন্য সাফারিতে যাওয়ার সুযোগও পাবেন তিনি।

পল জনসন-হিকস জানান, এই প্রতিযোগিতার আয়োজনে তাদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। মূলত, বন্যপ্রাণী ও পরিবেশ নিয়ে সচেতনার প্রসারে কাজ করছেন তারা।

পল জনসন-হিকস বলেন, ফি বছরই এই প্রতিযোগিতা হয়। প্রকৃতির এই মজার দিকের ছবি দেখতেও ভাল লাগে। পরিবেশ সংরক্ষণ কী ভাবে করা যায়, তা নিয়ে বিভিন্ন পরামর্শ দেয়া হয় তাদের ওয়েবসাইটে।

তিনি বলেন, আমরা সবাই জানি, পরিবেশের কী দুর্দশা হচ্ছে। তবে তার প্রতিকারে আমাদের কী করতে হবে, তা-ও জানি আমরা।

পরিবেশ বাঁচাতে সবার সঙ্গেই হাত মিলিয়ে কাজ করতে হবে। তারা আশাবাদী, পরিবেশ রক্ষায় সবার দিকেই তারা সাহায্যের হাত বাড়িতে দেবেন।

হিকস জানিয়েছেন, পরিবেশ রক্ষার কাজে তারা সাহায্য করতে পারবেন। তা হলে তো এখন থেকেই কাজে লেগে পড়া উচিত।

এই প্রতিযোগিতায় বিচারকরা ছাড়াও অনলাইনে ভোটাভুটি করা যাবে বলে জানা গেছে। নিজের প্রিয় ফটোগ্রাফারকে জেতাতে একটা পিপলস চয়েস ক্যাটেগরিও করা হয়েছে।

পরিবেশ রক্ষার কাজে নামতে ঘরের বাইরে যেতে হবে না। নিজের ঘর থেকেও শুরু করা যায় বলে মনে করেন এই প্রতিযোগিতার উদ্যোক্তারা। প্লাস্টিক বা প্লাস্টিকজাত দ্রব্য বর্জন করা বা পানির অপচয় রুখেও তা শুরু করা যায় বলে জানিয়েছেন তারা।
ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে