এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ঢাকার সংগ্রহ ৩ ওভারে বিনা উইকেটে ৩৫ রান।
মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৩ রান সংগ্রহ করে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। এতে দুর্দান্ত ঢাকার সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে ১৪৪ রান।
.png)
কুমিল্লার দেওয়া মাঝারি লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে উড়ন্ত শুরু পায় ঢাকা। দলটির হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন মোহাম্মদ নাঈম ও দানুস্কা গুনাথিলাকা। শুরু থেকেই কুমিল্লার বোলারদের ওপর চড়াও হন এ দুই ব্যাটার।
এখন নাঈম ৩২ ও ৩ রানে ব্যাটিং করছেন গুনাথিলাকা।
এর আগে টস জিতে কুমিল্লাকে ব্যাটিংয়ে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন ঢাকার অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। দলটির হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন লিটন দাস ও ইমরুল কায়েস। ম্যাচের শুরু থেকেই দেখেশুনে খেলতে থাকেন তারা।
তবে ভয়ংকর হয়ে ওঠার আগেই এ জুটিতে আঘাত হানেন চতুরঙ্গ ডি সিলভা। চতুর্থ ওভারের শেষ বলে শ্রীলংকান এ স্পিনারের ওপর চড়াও হতে গিয়ে নাঈমের তালুবন্দী হন লিটন। আউট হওয়ার আগে ১৬ বলে ১৩ করেন তিনি।
এরপর উইকেটে আসেন তাওহীদ হৃদয়। তার সঙ্গে ১০৭ রানের জুটি গড়েন কায়েস। একইসঙ্গে আসরের প্রথম ফিফটি নিজের দখলে নিয়েছেন কুমিল্লার বাঁ-হাতি এ ওপেনার।
ব্যাট হাতে ভালো শুরুর পরও ফিফটির আক্ষেপ নিয়ে সাজঘরে ফিরেছেন হৃদয়। ম্যাচের ১৮তম ওভারের শরিফুলের বলটি বাউন্ডারি ছাড়া করতে গিয়ে ডি সিলভার তালুবন্দী হন। সাজঘরে ফেরার আগে ৪৭ করেন তিনি।
পরে বাইশ গজে আসেন খুশদিল শাহ। তাকে সঙ্গ দেওয়ার আগেই কায়েসকে সাজঘরের পথ দেখান তাসকিন। আউট হওয়ার আগে ৬৬ করেনি এ বাঁ-হাতি। শেষ মুহূর্তে খুশদিল শাহর ক্যামিওতে ১৪৫ রানে থামে কুমিল্লার ইনিংস।
ইনিংসের শেষ ওভারে আসরের প্রথম হ্যাটট্রিক করেন শরিফুল ইসলাম। ওভারের শেষ তিন বলে খুশদিল শাহ, রস্টন চেজ ও মাহিদুল ইসলামের উইকেট তুলে নেন এ বাঁ-হাতি পেসার।