জানা যায়, বাংলাদেশ জাতীয় দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুনের গ্রামে বাড়ি সাতক্ষীরায়। সেখানে আগামীকাল শুরু হবে ওয়ারিয়র স্পোর্টস একাডেমি চ্যাম্পিয়নশিপের খেলা। সেখানে খেলছে এলাকার চারটি দল। এই চারটি দলের ভাগ হয়ে খেলবেন জাতীয় দলের আট ফুটবলার। আসরে আয়োজকের মধ্যে একজন বাংলাদেশ জাতীয় দলের নারী ফুটবলাদের সাবিনা খাতুন।
এদিকে জাতীয় দলের যারা খেলতে গেছেন তারা হলেন-মারিয়া মান্ডা, শামসুন্নাহার, শামসুন্নাহার জুনিয়র, মাতসুশিমা সুমাইয়া, মাসুরা পারভীন, মারজিয়া ও তহুরা খাতুন। পাশাপাশি এই আসরে খেলছেন বাংলাদেশ নারী প্রিমিয়ার লিগের বিভিন্ন ক্লাবের সদস্যরা। রয়েছে নাসরিন একাডেমির ক্লাবের কয়েকজন সদস্য।
.png)
বৃহস্পতিবার (২৭ জলাই) সকালে ডেইলি বাংলাদেশকে বিষয়টা নিশ্চিত করেন নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক একজন খেলোয়াড়। তিনি জানান, ‘আমি স্থানীয় টুর্নামেন্ট খেলতে আপুর (সাবিনা খাতুন) বাড়িতে এসেছি। এখানে আমাদের খেলা রয়েছে।’
‘আমি স্থানীয় টুর্নামেন্ট খেলতে আপুর (সাবিনা খাতুন) বাড়িতে এসেছি। এখানে আমাদের খেলা রয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘জাতীয় দলের নারী দলের কয়েকজন খেলোয়াড় রয়েছেন। তারাও খেলবেন। আমাদের সঙ্গে।’
এদিকে দেশের একটি গণমাধ্যমকে এলাকার খেলার বিষয়ে জাতীয় দলের অধিনায়ক সাবিনা বলেন, ‘আমাদের তো ৩০ জুলাই পর্যন্ত ছুটিই আছে। ব্যক্তিগত একটা কাজের জন্য আমার যোগ দিতে দু-একদিন দেরি হতে পারে। বাকিরা কে কবে যোগ দেবেন, তা জানি না।’
সাতক্ষীরায় গিয়ে ক্ষ্যাপ খেলার বিষয়ে কিছুই জানে না বাফুফে। বাফুফের নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং নারী উইংয়ের চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণ ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, ‘তারা (জাতীয় দলের নারী ফুটবলারারা) ছুটিতে আছে এতুটুকু জানি। তারা সেখানে গিয়ে কি করছে আমি জানি না।’
‘তারা (জাতীয় দলের নারী ফুটবলারারা) ছুটিতে আছে এতুটুকু জানি। তারা সেখানে গিয়ে কি করছে আমি জানি না।’
_1690467207.jpeg)
ছুটিতে গিয়ে ক্ষ্যাপ খেলা কত টুকু সঠিক? এ বিষয়ে প্রশ্নে জবাবে নারী উইংয়ের চেয়ারম্যান এই প্রতিবেদককে বলেন, ‘দেখুন আমি এখনো এ বিষয়ে যেহেতু কিছুই জানি না। তাই বলতে পারবো না। জানলে তারপর ভেবে সিদ্ধান্ত নেব। আপতত কিছু বলতে পারছি না।’