ভারতের ব্যাঙ্গালুরুর শ্রী কান্তিরাভা স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধের খেলা শেষে গোলশূন্য ড্র নিয়ে বিরতিতে গেছে দুই দল।
প্রথমার্ধে ৬৯ শতাংশ সময় বলের দখল রেখে বাংলাদেশের গোলমুখে পাঁচটি শট নেয় কুয়েত, যার তিনটি ছিল লক্ষ্যে। বিপরীতে বাংলাদেশ গোলের জন্য চারবার শট নেয়, যেখানে লক্ষ্যে রাখতে পারে দুটি।
.png)
এ ম্যাচে এক পরিবর্তন নিয়ে খেলতে নামে বাংলাদেশ। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে দলে ফিরেছেন ডিফেন্ডার তারিক কাজী। ভুটানের বিপক্ষে ম্যাচে ইনজুরির কারণে খেলতে পারেননি তিনি।
ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই গোলের দেখা পেতে পারতো বাংলাদেশ। তবে রাকিবের ক্রস থেকে গোলকিপারকে ডি বক্সে একা পেয়েও তা কাজে লাগাতে পারেননি শেখ মোরসালিন। এরকম সহজ সুযোগ মিসের ফলে প্রথমেই এগিয়ে যাওয়া হয়নি বাংলাদেশের।
ম্যাচের ৬ মিনিটে গোল হজম করতে পারতো বাংলাদেশ। তবে কর্নার থেকে বলটি গোলপোস্টের দিকে এগোলেও গোললাইন থেকে তা ক্লিয়ার করে লাল সবুজদের বাঁচিয়ে দেন ইসা ফয়সাল। আরো কয়েকবার বল ক্লিয়ার করে দলকে বিপদমুক্ত করেন তিনি।
২৮ মিনিটের মাথায় কুয়েতের গোলপোস্ট লক্ষ্য করে দুর্বল একটি শট নেন রাকিব। অবশ্য এটি কুয়েতের গোলরক্ষককে তেমন পরীক্ষার মুখে ফেলতে পারেনি। মিনিট দুয়েক পর দুর্দান্ত একটি সেভ দেন বাংলাদেশের গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকো।
এর পরই আচমকা আক্রমণে আরেকটি গোলের সুযোগ তৈরি করেছিল বাংলাদেশ। তবে মোরসালিনের ক্রস রাকিবকে কাজে লাগাতে দেননি কুয়েতের ডিফেন্ডাররা। ৪০ মিনিটে আরেকটি দারুণ সেভ করে দলকে রক্ষা করেন জিকো।
ম্যাচের প্রথমার্ধের শেষ মিনিটে আরেকটি দারুণ আক্রমণে উঠলেও ফিনিশিং ভালো করতে পারেনি বাংলাদেশ। ফলে গোলশূন্য ড্র নিয়েই বিরতিতে গেছে লাল সবুজরা।