এবারে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়াবে সমর্থন দিয়েছে বেলারুশ। ফলে বেলারুশের কোনো খেলোয়াড়ের সঙ্গে হাত মেলাবেন না বলে আগেই জানিয়ে ছিলেন ইউক্রেনীয় টেনিস তারকা। তবে হাত না মেলানোর বিষয়ে জবাবও দিয়েছেন তিনি, ‘কেন সে (সাবালেঙ্কা) অপেক্ষা করেছিল জানি না। কারণ আগে থেকেই হাত মেলানোর বিষয়ে আমার বক্তব্য পরিষ্কার ছিল।’
সভিতোলিনার সঙ্গে সাবালেঙ্কার লড়াইটা বেশ জমে উঠেছিল। প্রথম সেট ৬-৪ জিতে যান সাবালেঙ্কা। দ্বিতীয় সেটের শুরুটা অবশ্য একটু অন্যরকম হয়েছিল। প্রথম দু’টি গেম জিতে যান সভিতোলিনা। কিছুটা চাপে পড়ে গিয়েছিলেন সাবালেঙ্কা। কিন্তু সেখান থেকে তাকে আবার খেলায় ফেরালেন প্রতিপক্ষ নিজেই। দ্বিতীয় সেটও ৬-৪ জিতে সেমিফাইনালে পৌঁছে যান সাবালেঙ্কা।
.png)
সভিতোলিনার দেশে রাশিয়া সামরিক আক্রমণ চালানোর প্রতিবাদ হিসেবে রুশ ও বেলারুশের খেলোয়াড়দের সঙ্গে হাত না মেলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। বেলারুশ আক্রমণ না চালালেও সমর্থন দেওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনিসহ স্বদেশি খেলোয়াড়রা। সে কারণেই সাবালেঙ্কার সঙ্গে হাত মেলাননি ইউক্রেনীয় নারী টেনিস তারকা। এর আগেও মাটির কোর্টে এমন অভিজ্ঞতা হয়েছে দ্বিতীয় বাছাই বেলারুশ তারকার। টুর্নামেন্টের প্রথম রাউন্ডে তার সঙ্গে হাত মেলাননি আরেক ইউক্রেনীয় টেনিস তারকা মার্তা কস্তিয়ুক।