এটা ক্রিকেটারদের জন্মগত রোগ, রাতারাতি পরিবর্তন অসম্ভব: মেহেদী
দলের ব্যর্থতা নিয়ে বাংলাদেশ টি-২০ দলের অলরাউন্ডার শেখ মেহেদী হাসান স্পষ্ট করে জানিয়ে দিলেন, বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের কাছে আন্দ্রে রাসেল বা কাইরন পোলার্ডের মতো পাওয়ার হিটিং আশা করা বোকামি।
মঙ্গলবার রাতে জিম্বাবুয়ের উদ্দেশে দেশ ছাড়ার আগে মিরপুরে সংবাদমাধ্যমে এমনটাই বলেন তিনি। তিনি আরো বলেন, এটা এদেশের ক্রিকেটারদের জন্মগত রোগ, রাতারাতি পরিবর্তন করা সম্ভবও নয়।
মেহেদী বলেন, ‘দেখুন, আমরা বাংলাদেশি, আমরা কেউই পাওয়ার হিটার না। আমরা চাইলে আন্দ্রে রাসেল বা পোলার্ড হতে পারব না। আমাদের সামর্থ্যের মধ্যে যেটুকু আছে তা দিয়ে যতটা উন্নতি করা যায়।’
দলে একজন জুতসই পাওয়ার হিটিং কোচ প্রয়োজন বলে মনে করেন মেহেদী। তবে এও জানিয়ে রাখলেন, বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের পাওয়ার হিটিংয়ের যে স্কিল আছে সেটি কোচ নিয়োগ দিয়েও খুব বেশি বাড়ানো সম্ভব নয়।
মেহেদীর ব্যাখ্যা, ‘হ্যাঁ পাওয়ার হিটিং কোচের দরকার। তবে আপনার যে স্কিল আছে, একে কোচ হয়ত ১০ শতাংশ এগিয়ে দিবে। কিন্তু ৩০ শতাংশকে ১০০ শতাংশকে পৌঁছে দিতে পারবে না। আমরা জন্মগতভাবেই এরকম। রাতারাতি পরিবর্তন করা মনে হয় না সম্ভব। আমরা প্রায় ১৫ বছরের মত আন্তর্জাতিক টি-২০ খেলে ফেলেছি। হলে আরও আগেই হয়ে যেত। যেহেতু হচ্ছে না, আমাদের এটা নিয়ে আরও কাজ করতে হবে। পাওয়ার হিটিংয়ের কথা সবসময়ই আসে। কিন্তু এটা ঠিক না। আমাদের সামর্থ্যের বাইরে চাইলেও করতে পারবে না। এটা আপনাদের সবাইকে বিশ্বাস করতে হবে।’
তবে দলের যে শক্তি, তা নিয়েই অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপে ভালো করা সম্ভব বলে মনে করছেন মেহেদী।
তিনি বলেন, ‘টি-২০ ক্রিকেটে পাঁচটা ভালো বোলার লাগে। আলহামদুলিল্লাহ আমাদের দলে বোলার আছে। যে ৭০ শতাংশ সামর্থ্য আছে ব্যাটাররা যদি এটাকে ৯০ শতাংশ করে দিতে পারত, হয়ত ফলাফল পক্ষে আসতো। বিশ্বকাপে বাজে ম্যাচ কম হয়েছে। ক্লোজ ম্যাচ ছিল, ছিটকে গেছি। এখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ থাকে। বোলার সবসময়ই ভালো আছে।’