রোববার এসব তথ্য জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেস উইং ফ্যাক্টস।
প্রেস উইং ফ্যাক্টস জানিয়েছে, শনিবার কলকাতা ইসকনের মুখপাত্র রাধারমন দাসের এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলে প্রকাশিত একটি ভিডিওর বরাতে সংবাদ প্রকাশ করে পিটিআই। ঐ সংবাদে বাংলাদেশের কোনো কর্তৃপক্ষের, হিন্দু নেতা এবং ভুক্তভোগীর স্বজনের বক্তব্য নেয়া হয়নি। পিটিআই খবরটি প্রকাশের পর তা হিন্দুস্তান টাইমস, দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসসহ বিভিন্ন ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
.png)
এ ব্যাপারে ইসকন বাংলাদেশের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হৃষীকেশ গৌরাঙ্গ দাস বলেন, একটি ঘটনা ঘটা মাত্রই তা যাচাই-বাছাই না করে সাম্প্রদায়িক হত্যাকাণ্ড বলে চালিয়ে দেওয়া কোনো দায়িত্বশীল কাজ নয়। এ ধরনের অতিরঞ্জিত সংবাদ বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের কারণ হতে পারে।
এ ধরনের সংবাদ প্রকাশের আগে মিডিয়ার স্থানীয় পর্যায়ে বা অফিসিয়াল মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নাটোর সদর থানার বড় হরিশপুর মহাশ্মশান ঘাট থেকে শনিবার হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তরুণ কুমার দাস নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শ্মশান ঘাটের ভেতরে অবস্থিত ভোগঘরে অজ্ঞাত চোরেরা চুরি করার সময় ভুক্তভোগী চোরদের দেখে চিৎকার করার চেষ্টা করলে তার মুখ ও হাত-পা বেঁধে শ্বাসরোধে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। শ্মশান ঘাটের ভোগঘর থেকে কয়েকটি কাসার প্লেট চুরি হয়েছে।
নাটোর সদর থানার ওসি মো. মাহবুবর রহমান বলেন, মরদেহ উদ্ধারের পর পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ধারণা করা হচ্ছে- মাদকাসক্ত কিছু লোক চুরি করতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটাতে পারে। হত্যার সম্ভাব্য সব কারণই খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।
নাটোরের বড় হরিশপুর মহাশ্মশান ঘাট কমিটির সাধারণ সম্পাদক সত্য নারায়ণ রায় টিপু বলেন, তরুণ কুমার দাস ইসকন বা কোনো সংগঠনের সদস্য ছিলেন না। তিনি শ্মশান কমিটির কোনো সদস্য বা পুরোহিত বা সেবকও ছিলেন না। এ ঘটনায় কোনো সাম্প্রদায়িক সম্পৃক্ততা আছে বলে আমাদের মনে হয় না।