বৃহস্পতিবার এক প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেন তিনি।
ইসি আহসান হাবিব বলেন, সুধীজনদের সঙ্গে বৈঠকে লাভ বা উপকারিতার বিষয়টি আপেক্ষিক। ৫ শতাংশ লাভ হলেও সেটি ইতিবাচক। আলোচনা, পর্যালোচনা থেকে উঠে আসা বিষয়গুলো সরকার, প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন, নির্বাচনের দায়িত্বে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ভোটারদের ওপর অবশ্যই নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধের অবস্থানে কিছুটা হলেও চাপ সৃষ্টি করবে। ফলে এ ধরনের উন্মুক্ত আলোচনা, কর্মশালা, সেমিনার বা মতবিনিময়ের ইতিবাচক দিক রয়েছে বলে নির্বাচন কমিশন মনে করে।
.png)
তিনি বলেন, বুধবারের বৈঠকের লক্ষ্য ছিল, গণমাধ্যমের সহযোগিতায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পর্কিত সূক্ষ্ম ও জটিল বিষয়সমূহ খোলাখুলিভাবে জনগণ, ভোটার, সরকার, প্রশাসন, পুলিশ এবং নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করে সচেতন করা।
উল্লেখ্য, বুধবার সাবেক আমলা, সাবেক নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন পর্যবেক্ষক ও সিনিয়র সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠক করে ইসি। এতে অংশগ্রহণমূল নির্বাচনের প্রতি জোর দেন সবাই।