বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর উত্তরার কামারপাড়া কাঁচাবাজার ও আজমপুর কাঁচাবাজারসহ বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে এ চিত্র চোখে পড়েছে।
বাজার ঘুরে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাজধানীর বাজারে মুরগির প্রতি ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা, আর সাদা ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ টাকায়। প্রতি ডজন হাঁসের ডিম ২০০ টাকা ও দেশি মুরগির ডিম ২৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
.png)
দেশি পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অথচ বেশ কয়েকদিন আগেও ৬৫ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। বেড়েছে ভোজ্য তেল সয়াবিন (লুজ)। লিটার প্রতি ৫ টাকা বেড়ে ১৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত দুইদিন আগেও ১৪৫ টাকা ছিল। তবে সয়াবিন (বোতল) ৫ লিটারের দাম কমে ৮১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আলু বিক্রি হচ্ছে ৪৮ টাকা কেজি ধরে। এর আগে বিক্রি হয়েছে ৪৫ টাকা দরে।
প্রতিটি ডিম বিক্রি হয়েছে ১১ টাকা ৬০ পয়সায়। আর খুচরা বাজারে দাম ছিল ১২ থেকে ১৩ টাকা। খুচরা বাজারে প্রতি ডজন ডিমের দাম বর্তমানে ১৪৫ টাকার আশপাশে।
দেশি রসুনসহ বেশকিছু মসলার দামও বেড়েছে। কেজিপ্রতি রসুন ১০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২১০ টাকা দরে। আমদানিতেও দাম বৃদ্ধি পেয়ে ২১০ থেকে ২৪০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। ধনিয়া কেজিপ্রতি ২২০ থেকে ২৬০ টাকা পর্যন্ত বর্তমান বাজারে বিক্রি হচ্ছে। একই পরিস্থিতি চলছে সবজি, ডিম, মুরগি ও মাছসহ গরু-খাসির মাংসের বাজার।
টিসিবি বলছে, গত বছরের এ সময়ে বাজারে কেজিপ্রতি আলুর দাম ছিল ২২ থেকে ২৫ টাকা অর্থাৎ এ বছর আলু দ্বিগুণ দামে কিনতে হচ্ছে। আর ঢাকার বাজারে গত বছরের এ সময়ে পেঁয়াজের দাম ছিল কেজিপ্রতি ৩০ থেকে ৪০ টাকা। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় দেশি পেঁয়াজ বর্তমানে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
রাজধানীর উত্তরার কামারপাড়া বাজার ব্যবসায়ীরা জানান, তীব্র গরমে ক্ষেতে নষ্ট হচ্ছে সবজি। পাশাপাশি সেচ বাবদ বেড়েছে উৎপাদন খরচ। এর প্রভাবে বাড়ছে দাম।