[ শিশুকিশোর ]
কিশোর কবিতা
উদাসীনতার খতিয়ান
তখন কি চিনব সেই ক্ষুধার্ত চোখগুলো? নাকি তখনও আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকেই মানুষ বলে ডাকব?
আমি আছি বিলাসিতায়
যেন শাহী দরবারে বসে আছি নির্বিকার!
চারপাশে সুখের আলো,
আর দূরে কোথাও জমে আছে অন্ধকার।
ভুলে যাই
দুঃখী মানুষগুলোর কথা,
ভুলে যাই
তারাও তো আমারই মতো মানুষ।
আমার কানে পৌঁছায় না
ক্ষুধার্ত মানুষের কান্না,
হৃদয়ের দরজায় ধাক্কা দিয়েও
ফিরে যায় কত আর্তনাদ।
.png)
আমি বেখবর
নিজের সুখেই ডুবে থাকি,
জানতেও চাই না
কার ঘরে আজ চুলা জ্বলেনি।
কোনো শিশুর চোখে হয়তো
ঘুমের বদলে ক্ষুধা,
কোনো মায়ের আঁচলে লুকিয়ে থাকে
নিঃশব্দ অশ্রু।
আর আমি?
নরম বিছানায় শুয়ে
সুখের হিসাব কষি।
কখনো কি এমন হবে—
ভাগ্যের দরজা হঠাৎ বদলে যাবে,
আজ যে মানুষটাকে দূরের মনে হয়,
কাল তারই কাতারে দাঁড়াব আমি?
তখন কি চিনব
সেই ক্ষুধার্ত চোখগুলো?
নাকি তখনও আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে
নিজেকেই মানুষ বলে ডাকব?
হয়তো সেদিন বুঝব—
অন্যের ক্ষুধা ভুলে থাকা
শুধু উদাসীনতা নয়;
কখন যে মানুষের ভিড়ে থেকেও
নিজেকেই মানুষ থাকা থেকে
বঞ্চিত করেছি—
তার হিসাবটাও রাখা হয়নি।
ডেইলি-বাংলাদেশ/এসএমএম
খবরটি শেয়ার করুন:
শিশুকিশোর আরও খবর
সব দেখুন
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!