গেল বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ফরিদপুরে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছে প্রায় চার হাজারেরও বেশি মানুষ। যদিও ফরিদপুর পৌর মেয়র দাবি করছেন, মশা নিধনে তারা যথেষ্ট তৎপর রয়েছেন।
শহরের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্রসহ বিভিন্ন আবাসিক এলাকা পরিদর্শন করে দেখা গেছে, সড়কের পাশে ড্রেন ও ডোবাসহ নানা স্থানে জমে থাকা পানিতে মশার ভয়াবহ বিস্তার ঘটছে। এসব স্থানে তৈরি হচ্ছে মশার লার্ভা।
.png)
ওষুধ ব্যবসায়ী নিশান মাহমুদ বলেন, শহরে ড্রেন সংস্কারের কাজ হচ্ছে। এতে ড্রেনের ময়লা আবর্জনাযুক্ত উন্মুক্ত পানিতে গিজগিজ করছে মশা। ড্রেনের ময়লা-দুর্গন্ধযুক্ত পানি পরিষ্কার করা হয়নি।
স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মী তরিকুল ইসলাম বলেন, গরম আসার আগেই মশার উপদ্রব বেড়েছে। বাসাবাড়ি, হাসপাতাল, ব্যবসা কেন্দ্র, শহর-গ্রাম সবখানেই একই দশা। মশা নিধনে যে ওষুধ ছিটানো হয় তা কতটুকু কার্যকর তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে।
শহরের পশ্চিম খাবাসপুরের বাসিন্দা মাহমুদ বলেন, পৌর কর, বিল সবই দেই। কিন্তু মশা থেকে রেহাই মিলছে না। ড্রেনে জমে থাকা ময়লা পানিতে বংশবিস্তার করা মশার আবাসস্থলে মশার লার্ভার মাত্রা পরিমাপের কোনো তৎপরতাও দেখা যায় না।
পৌর মেয়র শেখ মাহতাব আলী মেথু বলেন, মশা নিধনে কাজ চলছে। পাঁচটি ফগার মেশিন দিয়ে মশক নিধক ওষুধ ছিটানো হচ্ছে। বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় মশা নিধনে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হচ্ছে। বাড়ির আঙিনা ও মশা তৈরি হতে পারে এমন সব স্থান পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। এছাড়া বিভিন্ন ড্রেনের খোলা মুখে ওষুধ দেয়া হচ্ছে।