গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিলের জন্য জামায়াতকে দায়ী করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তিনি অভিযোগ করেছেন, গত এক মাস ধরে জামায়াত রাষ্ট্রে অস্থিরতা ও উত্তেজনা তৈরি করে আওয়ামী লীগকে মাঠে নামার সাহস জুগিয়েছে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন রাশেদ খান।
.png)
পোস্টে তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগ মাঠে ফেরার বিষয়ে জামায়াতের নেতাদের বক্তব্যও রয়েছে। জামায়াতের নেতা আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহেরের বক্তব্য তুলে ধরে রাশেদ খান প্রশ্ন করেন, আওয়ামী লীগ মিছিল করার পর বিএনপি ও ছাত্রদল যেভাবে পাল্টা প্রতিরোধ মিছিল করেছে, জামায়াত-শিবির সেভাবে মাঠে নামেনি কেন?
রাশেদ খান লেখেন, শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফিরতে চান বলে আলোচনা রয়েছে, অন্যদিকে জামায়াতও ডিসেম্বর থেকে সরকার পতনের আন্দোলন শুরু করতে চায়। বিষয়টি কাকতালীয় কি না—এমন প্রশ্ন তুলে তিনি আওয়ামী লীগের সঙ্গে জামায়াতের বর্তমান যোগাযোগ নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেন।
তিনি আরও বলেন, ক্ষমতার সমীকরণে ক্ষমতার বাইরে থাকা দলগুলোই পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বিএনপির বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ, জামায়াত ও এনসিপির অবস্থান রয়েছে।
রাশেদ খান দাবি করেন, এর আগে জামায়াতের আমির আওয়ামী লীগকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার কথা বলেছেন। এছাড়া দলটির কয়েকজন নেতা আওয়ামী লীগ থেকে কেউ জামায়াতে যোগ দিলে তার দায়দায়িত্ব নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
জামায়াত নেতা আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহেরের বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খান বলেন, রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগ ফিরে এলে জামায়াতের খুব বেশি আপত্তি নেই—এমন মন্তব্য করা হয়েছে।
এদিকে এনসিপির কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধেও আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগীদের দলে নেওয়ার অভিযোগ তোলেন তিনি। সর্বশেষ তুষার ভূইয়াকে দলে নেওয়ার বিষয়টিও পোস্টে উল্লেখ করেন রাশেদ খান।
এসব প্রসঙ্গ তুলে তিনি প্রশ্ন রাখেন, তাহলে আওয়ামী লীগকে প্রতিরোধ করার দায়িত্ব কি শুধু বিএনপির ওপরই পড়েছে?