“সংসারে নারী বেশি কাঁদে—কারণ তার কাঁধে শুধু সংসার নয়, সবার অনুভূতির বোঝাও থাকে।”
একজন পুরুষ অফিসের কাজ শেষ করে বাড়ি ফেরে,
কিন্তু একজন নারী অনেক সময় বাড়ির কাজ শেষ করেও সংসারের দায়িত্ব থেকে ছুটি পায় না।
স্বামী ঠিক আছে তো?
.png)
সন্তান কী খেয়েছে?
শ্বশুর-শাশুড়ি খুশি তো?
ঘরের বাজার শেষ হয়ে গেল কি না?
কারও মন খারাপ হলো কি না—
এসবের হিসাবও অনেক নারীকে মাথায় রাখতে হয়।
তার নিজের শরীর খারাপ হলেও রান্না থামে না।
মন খারাপ হলেও সন্তানের সামনে হাসতে হয়।
ক্লান্ত হলেও শুনতে হয়—
“সংসার করলে এসব তো করতেই হবে!”
আর সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো—
নারীর শ্রমকে অনেক সময় দায়িত্ব হিসেবে দেখা হয়,
কিন্তু তার মানসিক ক্লান্তিকে ক্লান্তি হিসেবেই দেখা হয় না।
তবে এর মানে এই নয় যে পুরুষের চাপ কম।
পুরুষও অর্থনৈতিক দায়িত্ব, সামাজিক প্রত্যাশা ও পরিবারের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রচণ্ড চাপের মধ্যে থাকে।
সমস্যাটা নারী বনাম পুরুষ নয়।
সমস্যা হলো—একজনের কষ্টকে আরেকজনের চেয়ে ছোট করে দেখা।
সংসার কারও একার দায়িত্ব নয়।
যে সংসারে দুজন মানুষ একে অপরের ক্লান্তি বোঝে,
সেখানে কাজ ভাগ হয়, দায়িত্ব ভাগ হয়,
আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—মানসিক বোঝাটাও ভাগ হয়।
কারণ একজন নারী সংসারের মানুষ,
সংসারের মেশিন নয়।