গাজায় হামলা অব্যাহত, একের পর এক প্রাণহানি
ভোর থেকে গাজা উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় অন্তত চার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এসব হামলায় আহত হয়েছেন আরও ১২ জন। স্থানীয় চিকিৎসা সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে আলজাজিরা।
গাজা সিটির উত্তরের তাওয়াম এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে একজন ফিলিস্তিনি নিহত হন। অ্যাম্বুলেন্স ও জরুরি সেবা বিভাগের এক কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
.png)
দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসেও ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে আরও একজন নিহত হয়েছেন। নাসের হাসপাতাল জানিয়েছে, দিনের শুরুতে খান ইউনিসের কেন্দ্রীয় এলাকায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এর আগে গাজা সিটির পশ্চিমাঞ্চলে একটি গাড়িকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হলে একজন নিহত হন। দক্ষিণ গাজার আল-মাওয়াসি এলাকায় বাস্তুচ্যুতদের একটি অস্থায়ী তাঁবুতেও ড্রোন হামলা চালানো হয়। সেখানেও একজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে আলজাজিরা। গাজার বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি হামলা ও গুলিবর্ষণে হতাহত হওয়ার ঘটনা অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে গত ২৩ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে চালানো একটি লক্ষ্যভিত্তিক হামলায় হামাসের অর্থ বিভাগের প্রধান মুহাম্মদ আবু আলওয়ান নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ দাবি করেন, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) ও ইসরায়েলি নিরাপত্তা সংস্থা যৌথভাবে ওই অভিযান পরিচালনা করে।
বিবৃতিতে বলা হয়, হামাসের অর্থের প্রবাহ ও সংগঠনটির কার্যক্রমে আবু আলওয়ানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। ইসরায়েলি নেতৃত্বের ভাষ্য, হামাসের অর্থনৈতিক কাঠামোর বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবেই তাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।
নেতানিয়াহু ও কাটজ বলেন, হামাসের নেতৃত্ব ও অর্থের নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। তাদের দাবি, হামাসের কমান্ডার ও সদস্যদের খুঁজে বের করার পাশাপাশি সংগঠনটির অর্থের উৎস ও অবকাঠামোও লক্ষ্যবস্তু করা হবে।