শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে কী ইঙ্গিত দিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী
ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপি সরকার যে ধর্মেন্দ্র প্রধানকে সরিয়ে দেওয়ার বিষয়টি ভাবছে সেই ইঙ্গিত এসেছিল আজ সকালেই। ওই সময় লোকসভায় বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী দাবি করেন, সরকারে ধর্মেন্দ্র প্রধানকে সরিয়ে অন্য কোনো মন্ত্রণালয়ের নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে।
শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে রাহুল গান্ধী বলেন, ‘কিছু আলোচনা চলছে। এখন আমরা সরকারের ভেতর থেকেও বিভিন্ন তথ্য পাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মন্ত্রিসভায় এ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে যে, সমাধান হলো ধর্মেন্দ্র প্রধানকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে অন্য কোনো মন্ত্রণালয়ে পাঠানো।’
তিনি আরও বলেন, কিন্তু এটি ভারতের শিক্ষার্থীদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। ধর্মেন্দ্র প্রধানকে বরখাস্ত করতে হবে।
রাহুল গান্ধী বলেন, শিক্ষার্থীরাই ভারতের ভবিষ্যৎ, আর নরেন্দ্র মোদি ভারতের অতীত। অতীত কখনও ভবিষ্যতের সঙ্গে লড়াই করতে পারে না।
এর আগে রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রী মোদিকে কটাক্ষ করে এক্সে লিখেছিলেন, তিনি মেট্রো, দোকানপাট, ইন্টারনেট, সড়ক এবং খাবার বন্ধ করতে পেরেছেন, কিন্তু প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে পারেননি।
গত কয়েক দিন ধরেই যন্তর-মন্তরের কাছে চলমান বিক্ষোভের মধ্যে দিল্লির কয়েকটি মেট্রো স্টেশন বন্ধ ছিল। সবশেষ দিল্লি মেট্রো রেল করপোরেশন (ডিএমআরসি) ১৮টি গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশনে ট্রেন চলাচল স্থগিত করে। এক বিজ্ঞপ্তিতে তারা জানায়, ২৫শে জুলাই (শনিবার) সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই ১৮টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ থাকবে।
তবে রাজীব চক, মান্ডি হাউস এবং সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট স্টেশনগুলোতে আন্তঃলাইন পরিবর্তনের (ইন্টারচেঞ্জ) সুবিধা চালু থাকবে বলেও জানানো হয়।