ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

তিব্বতে চীনের বাঁধ নির্মাণের প্রস্তাবে ভারতের উদ্বেগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৯:৩৬, ৫ জানুয়ারি ২০২৫
তিব্বতে চীনের বাঁধ নির্মাণের প্রস্তাবে ভারতের উদ্বেগ
ফাইল ফটো

চীনের তিব্বতে ইয়ারলুং জাংবো নদে (ব্রহ্মপুত্র নদী) বেইজিংয়ের বাঁধ নির্মাণের খবরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত। এ বিষয়ে ভারতের মতামত ও উদ্বেগের কথা চীনকে জানানো হয়েছে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ–সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, অভিন্ন নদীর ক্ষেত্রে ভাটির দেশেরও কিছু অধিকার আছে। রাজনৈতিক ও বিশেষজ্ঞ পর্যায়ে সেই অধিকারের কথা বারবার জানানো হয়েছে। সেই অধিকার ও স্বার্থের বিষয়ে ভারতের পর্যবেক্ষণ জারি আছে। সরকার সেইমতো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও গ্রহণ করবে।

প্রস্তাবিত বাঁধ নিশ্চিতভাবেই দুই ভাটির দেশ ভারত ও বাংলাদেশের নদীপ্রবাহে প্রভাব ফেলবে। দুই দেশই এ বিষয়ে চিন্তিত। এই বাঁধ নির্মাণে চীনের খরচ হবে আনুমানিক ১৩ হাজার ৭০০ কোটি ডলার। দেশটির ‘থ্রি গর্জেস’ বাঁধের চেয়ে বড় প্রস্তাবিত এই বাঁধ। এটি নির্মিত হলে তা হবে পৃথিবীর বৃহত্তম বাঁধ। তবে এ ধরনের প্রকল্প গ্রহণের আগে ভাটির দেশের সঙ্গে আলোচনা করা জরুরি।

Advertisement

ব্রহ্মপুত্রে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প বা এ ধরনের বড় বাঁধ নির্মাণের বিষয়টি অনেক দিন ধরেই আলোচনায় আছে। গণমাধ্যমে এ নিয়ে অনেক লেখালেখিও হচ্ছে। কিন্তু তার মোকাবিলায় দুই ভাটির দেশ ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ প্রচেষ্টার কোনো ইঙ্গিত অতীতে ছিল না, এখনো নেই।

বাঁধ নির্মাণ ছাড়াও গত ২৭ ডিসেম্বর চীনের সরকারি বার্তা সংস্থা শিনহুয়া উত্তর-পশ্চিম চীনের শিনজিয়াংয়ে এই দুটি কাউন্টি প্রতিষ্ঠার কথা জানায়। তাদের খবরে বলা হয়, শিনজিয়াংয়ের সরকার হোটান প্রিফেকচারের অধীনে হে’আন কাউন্টি এবং হেকাং কাউন্টি নামে দুটি নতুন কাউন্টি প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছে। চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটি এবং রাষ্ট্র পরিষদ এই দুটি নতুন কাউন্টি অনুমোদন করেছে, যা হোটান প্রিফেকচারের অধীনে পরিচালিত হবে। এই সিদ্ধান্তেরও প্রতিবাদ জানিয়েছে ভারত।

জয়সওয়াল বলেন, ওই তল্লাটে চীনের দখলদারি ভারত কখনো মেনে নেয়নি, নেবেও না। তাদের ওই ঘোষণা ভারতের সার্বভৌমত্বের ওপর কোনো প্রভাব ফেলবে না। ওই এলাকা ভারতের ছিল, ভারতেরই থাকবে। কূটনৈতিক পর্যায়ে তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো হবে।

সম্প্রতি দীর্ঘদিনের আলোচনার পরে ভারত ও চীনের মধ্যে একটি সীমান্ত জটিলতার সমাধান হয়। পূর্ব লাদাখ সীমান্তে দুই দেশের পক্ষ থেকেই সেনা প্রত্যাহার হয়েছে। তারপর এমন ঘটনায় দুই দেশের সম্পর্কের বিষয়টি আবারও নতুন করে আলোচনার জন্ম দিলো।

সূত্র: এনডিটিভি

ডেইলি-বাংলাদেশ/মাহাদী
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!