শুক্রবার (২৩ আগস্ট) কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি এ ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি উল্লেখ করেন ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক হবে বন্ধু ও প্রতিবেশীর মতো, দাসত্ব কিংবা প্রভুত্বের নয়।
শরিফ ওসমান বিন হাদি বলেন, ছাত্র-জনতার অভূতপূর্ব গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়ার শপথ নিয়েছে। আমাদের পেছনে ফিরে যাওয়ার আর কোনো সুযোগ নেই। ভারত প্রতিনিয়ত আমাদের নিঃশেষ করে দেওয়ার চেষ্টা করছে। জীবন নাশের ঝুঁকি নিয়ে আমরা রাজপথে নেমেছিলাম, আমাদের সৌভাগ্য একইসঙ্গে দুর্ভাগ্য যে এই গণঅভ্যুত্থানে অনেক ভাই রাজপথে শহিদ হয়েছে। সেই শহিদের আমরা পাইনি। কিন্তু ইনকিলাবের কসম শহিদের বিন্দুমাত্র রক্তের মর্যাদা বাংলাদেশের ঘরে ঘরে না তোলা পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছাড়ব না।
.png)
দেশের কয়েকটি জেলায় চলমান বন্যা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নোয়াখালী, ফেনী ও কুমিল্লা- এই অঞ্চলে একটি ন্যারিটিভ দাঁড় করানোর চেষ্টা চলছে। ত্রিপুরা অংশও বন্যায় আক্রান্ত হয়েছে, তারা বাংলাদেশকে কীভাবে রক্ষা করবে? এমন কঠিন পরিস্থিতি তৈরি হলে পাশের দেশের প্রথম কর্তব্য হওয়া উচিত যে, প্রতিবেশী দেশকে জানানো যে আমাদের পানি ছাড়তে হবে, তোমারা প্রস্তুতি নেও। কিন্তু সব ধরনের কূটনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূতভাবে ভারত রাতের আঁধারে পানি ছেড়ে দিয়েছে।
ছাত্র-জনতার লংমার্চের ডাক দিয়ে হাদি বলেন, আগামী ২৭ আগস্ট রাজধানীর শাহবাগ থেকে দশটি ট্রাক নিয়ে প্রথমে কুমিল্লার অভিমুখে যাত্রা শুরু করব। পথে যেখানে আমাদের অভ্যুত্থানের সবচেয়ে বড় আন্দোলন হয়েছিল সেই স্থানগুলোতে আমরা পথ সমাবেশ করব। এছাড়া সারা বাংলাদেশের মানুষ হাজার হাজার গাড়ি নিয়ে এতে অংশ নেবে।
এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের হলপাড়া-রেজিস্ট্রার বিল্ডিং-ভিসি চত্বর-টিএসসি হয়ে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে এসে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।