ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, শুক্রবার (১১ অক্টোবর) গত ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দ্বিতীয়বার শান্তিরক্ষীদের প্রধান ঘাঁটিতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে, যখন তারা হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিল।
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবং পশ্চিমা দেশগুলো এই হামলার নিন্দা করেছে। লেবাননে জাতিসংঘের অন্তর্বর্তী বাহিনী (ইউনিফিল) একে ‘গুরুতর ঘটনা’ বলে অভিহিত করেছে।
.png)
ইউনিফিল বলেছে, জাতিসংঘের কর্মী এবং সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আবশ্যক।
ফ্রান্স, ইতালি এবং স্পেন ইসরায়েলি হামলাকে ‘অযৌক্তিক’ বলে অভিহিত করে ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে। ইসরায়েলের এই ধরনের ‘শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ড’ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে রাশিয়া।
জাতিসংঘ জানিয়েছে, আহত দুজনই শ্রীলংকার নাগরিক। দক্ষিণ লেবাননে বিভিন্ন দেশের প্রায় ১০ হাজার শান্তিরক্ষী কাজ করছেন বলে জানিয়েছে ইউনিফিল।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বলেছে, ইসরায়েলের গুলিতে আহত দুই শান্তিরক্ষী হিজবুল্লাহর সাথে জড়িত ছিল। এ বিষয়ে ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করেছে তারা। হামলার কয়েক ঘন্টা আগে তাদেরকে নিরাপদে আশ্রয় নেয়ার জন্য সতর্ক করা হয়েছিল বলেও দাবি করেছে তারা।
ডক্টরস ইউদাউট বর্ডার-এমএসএফ জানিয়েছে, গাজার জাবালিয়ায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। সেখানে হাজার হাজার মানুষ আটকা পড়েছে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, শুক্রবার রাতে লেবানন থেকে দুটি ড্রোন শনাক্ত করা হয়েছে। একটিকে ধ্বংস করা হয়েছে। তবে অপর ড্রোনের হামলায় হারজলিয়ায় একটি ভবনে কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
তবে হিজবুল্লাহর এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনী দক্ষিণ লেবাননে অগ্রসর হতে ব্যর্থ হয়েছে এবং উল্লেখযোগ্য প্রতিরোধের সম্মুখীন হয়েছে।
এক বছরআগে গাজা যুদ্ধের শুরুতে হামাসের সমর্থনে উত্তর ইসরায়েলে রকেট ছুড়তে শুরু করে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। তখন থেকেই হিজবুল্লাহর সঙ্গে ইসরায়েলি বাহিনীর সংঘর্ষ চলছে। তবে সম্প্রতি লেবাননে হিজবুল্লাহর লক্ষ্যবস্তুতে হামলা তীব্রতর করেছে ইসরায়েল।