ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

সুপ্রিম কোর্টের আদেশে ট্রাম্পের উচ্ছ্বাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৮:৫৮, ২ জুলাই ২০২৪
সুপ্রিম কোর্টের আদেশে ট্রাম্পের উচ্ছ্বাস
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আংশিক দায়মুক্তি দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার এক রায়ে সুপ্রিম কোর্ট বলেছেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার সাংবিধানিক ক্ষমতার মধ্যে থেকে কোনো কিছু করে থাকলে সেক্ষেত্রে তার বিচার করা যাবে না। তবে ব্যক্তিগত কোনো কৃতকর্মের জন্য তার বিচার করা যেতে পারে। বিচার থেকে কোনো ধরনের প্রেসিডেন্সিয়াল ছাড়ের স্বীকৃতি দিয়ে আদালতের এমন রায় এটিই প্রথম।

জানা গেছে, সুপ্রিম কোর্টের নয় সদস্যের বেঞ্চের ছয়জনই ট্রাম্পের দায়মুক্তির পক্ষে ছিলেন। বিপক্ষে ছিলেন তিনজন। 

সোমবার রায় ঘোষণার পর এক প্রতিক্রিয়ায় নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প বলেন, এই রায় আমাদের সংবিধান এবং গণতন্ত্রের জন্য বিশাল এক জয়। একজন আমেরিকান হিসেবে আমি গর্বিত।

Advertisement

তবে প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে যেসব অপতৎপরতায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠেছে, সেসবের জন্য বিচারের মুখোমুখী হতে হবে ট্রাম্পকে। এক্ষেত্রে কোনো সুবিধা তিনি পাবেন না। 

এর আগে ওয়াশিংটনের নিম্ন আদালত এক রায়ে বলেছিল, প্রেসিডেন্ট থাকাকালে কোনো কৃতকর্মের জন্য একজন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের বিচারে কোনো ছাড় পাবেন না। সর্বোচ্চ আদালতের এই সিদ্ধান্তের ফলে ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনি ফল উল্টে দেওয়ার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ট্রাম্পের বিচার করা যাবে।

এ কারণে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ২০২০ সালের নির্বাচনে হস্তক্ষেপ ও পরের বছরের ৬ জানুয়ারি মার্কিন ক্যাপিটলে হামলার ঘটনায় মামলাগুলো পরিচালনা করা সরকারি কৌঁসুলিদের জন্য বেশি কঠিন হবে। 

বিশেষ কৌঁসুলি জ্যাক স্মিথের প্রধান অভিযোগগুলোর একটি হলো, ২০২০ সালের নির্বাচনের পর জো বাইডেনের জয়কে স্বীকৃতি না দিতে তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সের ওপর চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করেন ট্রাম্প। এটি যে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতাবলে করা হয়নি, তা প্রমাণে এখন অনেক কষ্ট করতে হবে স্মিথকে। বিচার বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ট্রাম্পের যোগাযোগের বিষয়টির ক্ষেত্রেও তা হবে। ৬ জানুয়ারির বিষয়ে ট্রাম্পের মন্তব্য ক্যাপিটলে হামলায় উস্কানি দিয়েছিল বলে যে অভিযোগ আনা হয়, সেটিও টিকবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সর্বোচ্চ আদালতের এই সিদ্ধান্তের ফলে আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে এই মামলার কাজ আগানোর সম্ভাবনা কমে গেল।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএএইচ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!