মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম সিএনএন।
খান ইউনিসের সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক কর্নেল ইয়ামেন আবু সুলেমান সিএনএনকে বলেন, ‘নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্সে পাওয়া গণকবর থেকে সোমবার ৭৩টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এনিয়ে মোট ২৮৩টি মরদেহ পাওয়া গেল এ গণকবরে।’
.png)
তিনি অভিযোগ জানান যে, ‘কিছু মরদেহ হাত-পা বাঁধা অবস্থায় পাওয়া গেছে তাদের ফাঁসির চিহ্ন রয়েছে। তাদের জীবিত কবর দেওয়া হয়েছিল নাকি মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল তা জানা যায়নি।’ তবে বেশিরভাগ মরদেহই পচে গেছে বলেও জানান সুলেমান।
এর আগে খান ইউনিসের সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র এবং অনুসন্ধান মিশনের প্রধান, রায়েদ সাকার সিএনএনকে জানিয়েছিলেন যে, ৭ এপ্রিল ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী তাদের সদস্যদের প্রত্যাহারের পর থেকে তারা ৪০০ নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধান করছেন।
এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য সিএনএন ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) সাথে যোগাযোগ ও প্রশ্ন করা হলেও কোন উত্তর পাওয়া যায়নি।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সিএনএনের একজন প্রতিনিধি জানান, ইসরায়েলের হামলায় বাস্তুচ্যুত মানুষেরা যারা এই হাসপাতালে আশ্রয় নিয়েছিলেন তাদের পরিবারের নিহত সদস্যদের এই হাসপাতালের মাঠে কবর দিয়েছিলেন।
পরবর্তীতে ইসরায়েলি অভিযানের কারণে স্থান ত্যাগ ও সেনা প্রত্যাহারের পর ফিরে আসার পর তারা তাদের পরিবারের নিহত সদস্যদের মরদেহগুলো নির্দিষ্ট স্থানে পাননি।
ধারণা করা হচ্ছে, গাজায় বন্দী কোনো জিম্মির মরদেহ এখানে আছে কিনা তা শনাক্তে আইডিএফ এসব মরদেহ উত্তোলন ও ডিএনএ পরীক্ষা করেছে। তারপরে সবগুলো মরদেহ আবার একটি গণকবরে রাখা হয়েছে।
সিএনএনের প্রতিনিধি জানিয়েছেন যে, ফিরে আসা অনেক ফিলিস্তিনি তাকে জানিয়েছেন যে তাদের পরিবারের নিহত সদস্যদের মরদেহ নির্দিষ্ট স্থানে পাচ্ছেন না তারা।
এদিকে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে যে, তারা ইসরায়েলে জিম্মি শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য গাজা থেকে কয়েক ডজন মরদেহ সরিয়েছে।