রোববার (২১ এপ্রিল) ফিলিস্তিনি জরুরি পরিষেবা বিভাগ এসব তথ্য জানিয়েছে।
জরুরি পরিষেবা বলছে, খান ইউনিসের নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্সে একটি গণকবরের সন্ধান পেয়েছেন তারা। এই কবরে ৫০ জন মানুষের মরদেহ দাফন করা হয়েছে। এখনো সেখানে আরো মানুষের মরদেহ থাকতে পারে। তাই তাদের দলের সদস্যরা উদ্ধার ও তল্লাশি অব্যাহত রেখেছে।
.png)
চলতি মাসের ৭ তারিখ গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিস শহর থেকে ইসরায়েল তাদের সেনাদের প্রত্যাহার করে নেয়। এরপর এ গণকবরের সন্ধান পাওয়া গেল। কয়েক মাস ধরে ইসরায়েলের বিরামহীন গোলাবর্ষণ ও তাদের সেনাদের সঙ্গে তুমুল লড়াইয়ে শহরটির বড় অংশই ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
এদিকে গাজায় থেমে নেই দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর তাণ্ডব। আগ্রাসন গড়িয়েছে ১৯৮তম দিনে। মৃত্যুর সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৩৪ হাজার। উপত্যকাটিতে হামলা চালানোর পাশাপাশি পশ্চিম তীরেও নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে তেল আবিব।
শনিবার তৃতীয় দিনের মতো পশ্চিম তীরের তুলকারেম শহরে নূর শামস শরণার্থী শিবিরে তাণ্ডব চালায় দখলদার সেনারা। এতে নিহত হন অনেকে। এছাড়াও ওই শহরের একটি হাসপাতালেও হামলা চালায় নেতানিয়াহু বাহিনী।
জাতিসংঘের শিশু তহবিল ইউনিসেফের দেয়া তথ্যমতে, গাজায় ইসরায়েলি হামলায় প্রতি ১০ মিনিটে একটি শিশু আহত বা নিহত হচ্ছে। ৭ অক্টোবর থেকে চালানো হামলায় এ পর্যন্ত নিহত হয়েছে ১৪ হাজারেরও বেশি শিশু।
সূত্র: আল-জাজিরা