ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

গাজায় সমুদ্রপথে ত্রাণ পাঠানোর উদ্যোগ যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৫:৩৬, ৬ মার্চ ২০২৪
গাজায় সমুদ্রপথে ত্রাণ পাঠানোর উদ্যোগ যুক্তরাষ্ট্রের
ফাইল ছবি

ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকায় সাগরপথে (মেরিটাইম করিডোর) ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা জন কিরবি বলেন, আমাদের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনে আগে বেশ কয়েক বার গাজায় ত্রাণ ও মানবিক সহায়তার প্রবাহ বৃদ্ধির বিষয়টিতে গুরুত্ব দিয়েছেন। মেরিটাইম করিডোরের মাধ্যমে গাজায় ত্রাণ সরবরাহের চিন্তাটিও তার মন থেকেই এসেছে। গাজার বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের জীবন বাঁচাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বিভিন্ন তৎপরতা চলছে। এটিও সেসব তৎপরতার অংশ।

গাজা উপত্যকার উত্তর ও পশ্চিমে ইসরায়েল সীমান্ত, দক্ষিণে মিসর সীমান্ত এবং পূর্বদিকে ভূমধ্যসাগর অবস্থিত। ২০০৫ সালে হামাস ক্ষমতা দখলের পর থেকে উপত্যকার উত্তর ও পশ্চিম সীমান্ত সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ইসরায়েলের হাতে। এতদিন পর্যন্ত উপত্যকায় খাদ্য-ত্রাণ ও মানবিক সহায়তার সরবরাহ দক্ষিণে মিসরীয় সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করতো; কিন্তু এখন সেই সীমান্তপথটিও কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে ইসরায়েলি বাহিনী।

Advertisement

গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের সীমান্তে প্রবেশ করে আকস্মিক হামলা চালায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। এরপরেই গাজায় পাল্টা আক্রমণ শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী।

গাজার বিভিন্ন স্থানে ইসরায়েলি বাহিনীর তাণ্ডবে কমপক্ষে ৩০ হাজার ৬৩১ জন ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছে আরও ৭১ হাজার ৪৩ জন।

গাজায় যুদ্ধবিরতির বিষয়টি এখনো স্পষ্ট নয়। ফলে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে লড়াই অব্যাহত রয়েছে। ইসরায়েলের হামলায় প্রতিদিনই প্রাণ হারাচ্ছেন বেসামরিক নাগরিকরা। তাদের মধ্যে অধিকাংশই নারী ও শিশু।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সেখানে ইসরায়েলের হামলায় নতুন করে আরও অন্তত ৯৭ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো ১২৩ জন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএএইচ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!