এ ব্যাপারে বিবৃতিতে ইয়াহিয়া সারে বলেছেন, ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনীর নৌবাহিনী, ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনী এবং ড্রোন বাহিনী বিপুল পরিমাণ ব্যালাস্টিক এবং নৌ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে— যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর একটি জাহাজে সমন্বিত হামলা চালিয়েছে। ঐ জাহাজটি ইহুদিদের (ইসরায়েলকে) সহায়তা করছিল।
‘গত রোববার হুথি যোদ্ধাদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে এই অভিযান চালানো হয়েছে। আমাদের বিরুদ্ধে যে কোনো ধরনের হুমকির জবাব দেওয়া হবে’ যোগ করেন ইয়াহিয়া সারে।
.png)
তিনি আরো বলেছেন, ইয়েমেনি সশস্ত্রবাহিনী— আরব ও লোহিত সাগর দিয়ে ফিলিস্তিনের দখলকৃত অঞ্চলের (ইসরায়েলে) বন্দরে ইসরায়েলি জাহাজ চলাচলে অব্যাহতভাবে বাধা প্রদান করছে। গাজা উপত্যকায় আমাদের ভাইদের ওপর আগ্রাসন ও আরোপিত অবরোধ চলা পর্যন্ত এই হামলা চলবে।
গত ৭ অক্টোবর হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। যা তিন মাস ধরে অব্যাহতভাবে চলছে। গাজার ওপর নির্বিচার হামলা বন্ধে লোহিত সাগরে ইসরায়েলগামী জাহাজে হামলা চালানো শুরু করে হুথি বিদ্রোহীরা। তাদের এ হামলার কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বড় প্রভাব পড়েছে।
সূত্র: আলজাজিরা