বুধবার (৩ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় সকাল ছয়টায় নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, নিহত ইমাম হাসান শরিফ তার ব্যক্তিগত গাড়িতে ছিলেন। এসময় একাধিকবার তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়া হয়।
.png)
পুলিশ জানায়, হামলাকারীকে এখনও শনাক্ত করা যায়নি। এছাড়া হামলার কারণও এখন পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। হামলাকারীকে ধরতে অভিযান চালানো হচ্ছে।
নিউ জার্সির অ্যাটর্নি জেনারেল ম্যাট প্ল্যাটকিন বলেন, মসজিদের পাশে হাসান শরিফ গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তাকে হাসপাতালে নেয়া হলে তিনি মারা যান।
প্ল্যাটকিন আরো বলেন, ‘আমরা এখনো এ হামলার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানি না। তবে এখন পর্যন্ত যেসব আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে, তাতে এটিকে বিরোধপূর্ণ কর্মকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে না। এটিকে অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ড বলেও মনে হয়নি।’
প্ল্যাটকিনের তথ্যমতে, নিউ জার্সিতে তিন লাখ মুসলিম আমেরিকানের বসবাস।
ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ শুরুর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে মুসলিম ও ইহুদিবিদ্বেষী হামলার ঘটনা বাড়তে দেখা গেছে।
এসেক্স কাউন্টির কৌঁসুলি টেড স্টিফেনস বলেন, ইমাম হাসান শরিফের শরীরে একাধিক গুলির দাগ রয়েছে।
এ হামলাকে ‘জঘন্য অপরাধ’ উল্লেখ করে স্টিফেনস আরো বলেন, ‘আমরা ইমামের পরিবারের জন্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করব।’
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের পরিবহন নিরাপত্তাবিষয়ক প্রশাসন (টিএসএ) নিশ্চিত করেছে, শরিফ ২০১৬ সাল থেকে নিউআর্ক বিমানবন্দরে নিরাপত্তাকর্মী (সিকিউরিটি স্ক্রিনার) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
যে মসজিদের সামনে হাসান শরিফ গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, সেটির নাম মসজিদ মুহাম্মদ-নিউআর্ক। এটি দোতলা ভবন। কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনসের (সিএআইআর) নিউ জার্সি শাখা প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, মসজিদটির সামনে পুলিশের গাড়ি মোতায়েন করা হয়েছে।
সিএআইআরের দেওয়া এক বিবৃতিতে শরিফকে ‘নেতৃত্ব ও মাহাত্ম্যের বাতিঘর’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
সূত্র: বিবিসি