শনিবার (৯ ডিসেম্বর) স্থানীয় কমিশনার কুয়েন্টিন বেভান জানিয়েছেন, গ্রেফতারকৃতদের বয়স ৩০ থেকে ৬০ বছরের ভেতর। এদেরকে বিভিন্ন জায়গা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত ৫১ জনকে আদালতে হাজির করা হয়। এদের মধ্যে ১৩ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আরো ৩৮ জন আদালতের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন। বাকিদের পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
.png)
বেভান জানিয়েছেন, পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের কম্পিউটার বা হার্ড ড্রাইভে থাকা ১ লাখ এরও বেশি ভিডিও ও ছবির সন্ধ্যান পেয়েছে।
বেভান বলেছেন, একজন শিক্ষকের কাছে তার ছাত্রদের কাছ থেকে চুরি করা ফটো এবং ভিডিও ছিল। আরো বেশ কয়েকজন শিশুকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
বেভান বলেন, শিশুদের নির্যাতেনর কিছু কিছু অপরাধ ছিল অত্যন্ত হিংস্র। এ ছাড়া শিশুদের যৌন কার্যক্রম বা প্রাণীদের দ্বারা যৌন নির্যাতন করা হতো।
গ্রেফতারকৃতরা পুলিশ হেফাজতে থেকে তাদের কাছে এ ধরনের ঘটনার অভিযোগ স্বীকার করেছেন। তাদের মধ্যে দুই শিক্ষক, বেশ কয়েকজন ক্রীড়া প্রশিক্ষক এবং প্রতিবন্ধী শিশুদের নিয়ে কাজ করা একটি প্রতিষ্ঠানের একজন মনিটরকে গ্রেফতার করা হয়।
বেভান বলেন, প্রতিবন্ধীদের কেন্দ্রের মনিটরকে ‘কয়েক দশক আগে’ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল। কিন্তু তাকে তার পরিচয় পরিবর্তনের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। এর ফলে তিনি আবারও শিশুদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সক্ষম হন।
ভয়েস অব দ্য চাইল্ড সংস্থার প্রধান মার্টিন ব্রাউস বলেন, ‘আমরা শুধু ভার্চুয়াল ছবি নিয়ে কথা বলছি না। কিন্তু অনেক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে এবং অনেকেই নির্যাতন ও বর্বরতার শিকার হয়েছে।
এ বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
সূত্র: ফ্রান্স ২৪