এ ঘটনা ভারতের উত্তরপ্রদেশ রাজ্যের কানপুর দেহাত জেলার আকবরপুর শহরের।
ভারতীয় গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, ইমতিয়াজ উদ্দিন নয়ডার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। তার ছেলে আজিমও নয়ডাতেই কাজ করতেন। দিন ১৫ আগে বাবা-ছেলে ছুটি নিয়ে আকবরপুরে নিজেদের বাড়িতে গিয়েছিলেন।
.png)
পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, ইমতিয়াজের বাড়িতে একটি পোষা বিড়াল রয়েছে। গত সেপ্টেম্বর বিড়ালটিকে রাস্তার একটি কুকুর কামড়েছিল কিন্তু বাড়ির কেউ সেটি জানতেন না। বিড়ালটিকে আদর করতে গিয়ে প্রথম কামড় খান ইমতিয়াজ। এর দুইদিন পর বিড়ালটি আজিমকে আঁচড় দেয়। বাড়ির বিড়াল হওয়ায় তারা এতে খুব একটা পাত্তা দেননি। ইমতিয়াজকে কামড় এবং আজিমকে আঁচড়ানোর কয়েকদিন পরই বিড়ালটি মারা যায়। এরপরও তারা বিড়ালের মৃত্যু নিয়ে ভাবেননি।
গত ২১ নভেম্বর বাড়ির সবাই ভোপালে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যান। সেখানে পৌঁছানোর পর আজিম অসুস্থ হয়ে পড়েন। ভোপালে প্রাথমিক চিকিৎসা করানো হয়। কিন্তু শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে কানপুরে এনে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। ২৫ নভেম্বর তিনি মারা যান।
এরপর ২৯ নভেম্বর অসুস্থ হয়ে পড়েন ইমতিয়াজ। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। ৩০ নভেম্বর তার মৃত্যু হয়।
হাসপাতাল থেকে জানানো হয়, দু’জনেরই মৃত্যু হয়েছে জলাতঙ্কে। বিড়ালটি পরিবারের আর কাউকে কামড়েছে কি না, কারো মধ্যে কোনো উপসর্গ দেখা দিচ্ছে কি না, সেদিকে নজর রাখছে কানপুর স্বাস্থ্য দফতর।
কানপুর দেহাত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অলক সিং বলেছেন, ঐ এলাকায় স্বাস্থ্য বিভাগের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। স্থানীয়ভাবে সব ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।