শনিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। এদিকে চারদিনের যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় দিনে ১৪ ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেওয়ার কথা রয়েছে হামাসের।
গতকাল শুক্রবার ইসরায়েলের সঙ্গে হামাসের চারদিনের যুদ্ধবিরতি শুরু হয়। বিরতির প্রথমদিন তারা ১৩ ইসরায়েলিসহ ২৪ জিম্মিকে মুক্তি দেয়। আজ আরো ১৪ জনকে মুক্তি দেওয়ার কথা ছিল তাদের। তবে হামাসের সামরিক শাখা আল-কাসেম বিগ্রেডস শনিবার নতুন ঘোষণায় জানিয়েছে, জিম্মিদের ফিরিয়ে নিতে হলে গাজার উত্তরাঞ্চলেও ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশ করতে দিতে হবে।
.png)
তবে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, হামাসের সামরিক শাখার এ ঘোষণা নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে। কারণ হামাসের রাজনৈতিক শাখার এক কর্মকর্তা বার্তাসংস্থা এএফপিকে বলেছেন, জিম্মিদের মুক্তির প্রক্রিয়া চলছে।
গাজার উত্তরাঞ্চলে ত্রাণ প্রবেশের শর্তজুড়ে দিয়ে আল-কাসেম ব্রিগেডস বলেছে, জিম্মিদের মুক্তি ততক্ষণ বিলম্ব হবে যতক্ষণ দখলদার (ইসরায়েলি) বাহিনী উত্তরাঞ্চলে ত্রাণ প্রবেশের চুক্তির শর্ত না মানছে। এছাড়া ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তির ব্যাপারে যে চুক্তি হয়েছে সেটি ইসরায়েলিরা না মানায় জিম্মিদের মুক্তি বিলম্ব হচ্ছে বলেও তারা জানায়।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল দাবি করেছে, হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের চুক্তি হয়েছিল প্রতিদিন গাজায় ২০০টি ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশ করতে দেওয়া হবে। সেই শর্ত মেনে শনিবার ২০০টি ট্রাক প্রবেশ করতে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া উত্তরাঞ্চলেও পাঠানো হয়েছে ৫০টি ত্রাণবাহী ট্রাক। তবে হামাস দাবি করেছে, ইসরায়েল সেই শর্ত মানেনি।
সূত্র: বিবিসি, টাইমস অব ইসরায়েল